শিশুদের সহায়তায় বিকাশের মাধ্যমে অনুদান নিতে ইউনিসেফের চুক্তি
বাংলাদেশের শিশুদের কল্যাণে অনুদান সংগ্রহ আরও সহজ করতে দেশের অন্যতম বৃহৎ মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের সঙ্গে চুক্তি করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ। এ অংশীদারত্বের ফলে সাধারণ মানুষ বিকাশ অ্যাপ ও প্রতিষ্ঠানটির অফলাইন মার্চেন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সহজেই শিশুদের সহায়তায় অনুদান দিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার বিকাশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকেরা এখন বিকাশ অ্যাপে লগইন করে ‘ডোনেশন’ অপশন থেকে ইউনিসেফ নির্বাচন করে সরাসরি অনুদান পাঠাতে পারবেন। পাশাপাশি দেশজুড়ে বিকাশের বিস্তৃত অফলাইন মার্চেন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও অনুদান দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
ইউনিসেফের প্রাইভেট ফান্ডরাইজিং অ্যান্ড পার্টনারশিপের গ্লোবাল ডিরেক্টর কারলা হাদ্দাদ মারদিনি বলেন, জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিকাশের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ও কমিউনিটির সঙ্গে সহজে, নিরাপদে ও সরাসরি যুক্ত হওয়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, শিশুদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা এবং তহবিল সংগ্রহের সুযোগ বাড়াতে ইউনিসেফ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় তারা আনন্দিত।
কারলা হাদ্দাদ মারদিনি আরও বলেন, শিশুরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, মানসম্মত শিক্ষা লাভ এবং পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা আরও বেশি শিশুর কাছে পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে। অনুদানের পরিমাণ যত ছোটই হোক, তা একটি শিশুর জীবন বদলে দিতে এবং তার সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়তা করতে পারে।
বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল কাদীর বলেন, সমাজের সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখাই বিকাশের অন্যতম লক্ষ্য। দেশের প্রথম ডিজিটাল ডোনেশন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে সহজে অনুদান পাঠানোর সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, ইউনিসেফের সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগ শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
ইউনিসেফের প্রাইভেট ফান্ডরাইজিং অ্যান্ড পার্টনারশিপের গ্লোবাল ডিরেক্টর কারলা হাদ্দাদ মারদিনি এবং বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীরের উপস্থিতিতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির আওতায় বিকাশ অ্যাপের ডোনেশন সেকশনে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকছে ইউনিসেফ। এর মাধ্যমে শিশুদের জন্য অনুদান সংগ্রহের পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিশু অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তহবিল সংগ্রহের পরিধি সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।






















