১১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় কবরস্থানের গাছে সাবেক সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে কবরস্থানসংলগ্ন গাছ থেকে সাবেক সেনাসদস্য কাজল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় কবরস্থানসংলগ্ন একটি গাছের উঁচু ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় কাজল মিয়া (৫৫) নামে এক সাবেক সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ১ নম্বর বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরী বাড়ির পেছনের কবরস্থান এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত কাজল মিয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাটিয়াম গ্রামের জবান আলীর ছেলে। সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি ধর্মপাশার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

যেভাবে মরদেহের সন্ধান মেলে

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার সকালে কবরস্থানের একটি গাছের উঁচু ডালে দড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান তাঁরা। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন কাজল মিয়া

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন কাজল মিয়া। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে মোহনগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

নিহতের স্বজনদের দাবি, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তাঁদের ধারণা, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

স্বজনদের আরও অভিযোগ, তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে মরদেহ গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

তবে স্বজনদের এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল এখনো জানা যায়নি।

মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের অপেক্ষা

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর ইসলাম হারুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজল মিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

নেত্রকোণায় কবরস্থানের গাছে সাবেক সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার

সময় : ০৫:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় কবরস্থানসংলগ্ন একটি গাছের উঁচু ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় কাজল মিয়া (৫৫) নামে এক সাবেক সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ১ নম্বর বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরী বাড়ির পেছনের কবরস্থান এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত কাজল মিয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাটিয়াম গ্রামের জবান আলীর ছেলে। সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি ধর্মপাশার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

যেভাবে মরদেহের সন্ধান মেলে

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার সকালে কবরস্থানের একটি গাছের উঁচু ডালে দড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান তাঁরা। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন কাজল মিয়া

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন কাজল মিয়া। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে মোহনগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

নিহতের স্বজনদের দাবি, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তাঁদের ধারণা, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

স্বজনদের আরও অভিযোগ, তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে মরদেহ গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

তবে স্বজনদের এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল এখনো জানা যায়নি।

মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের অপেক্ষা

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর ইসলাম হারুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজল মিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।