০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে অ্যাম্বুলেন্স চালক আটক, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

নিউজ ডেস্ক

নীলফামারীতে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে অ্যাম্বুলেন্স চালক আটকের ঘটনায় মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এক চিকিৎসককে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগে নাঈম ইসলাম (২৫) নামে এক অ্যাম্বুলেন্স চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন পালন করেছেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে শহরের চৌরঙ্গির মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল থেকে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন শুরু করেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে আলট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্ট নিতে আসেন বেসরকারি মালিকানাধীন অ্যাম্বুলেন্সের চালক নাঈম ইসলাম। রিপোর্ট দিতে দেরি হওয়ায় তিনি চিৎকার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় দায়িত্বে থাকা রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রথীন্দ্রনাথ মণ্ডল তাকে বাধা দিলে নাঈম ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি ওই চিকিৎসককে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চিকিৎসকের চিৎকার শুনে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে নাঈমকে আটক করেন। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। পরে বেলা ১১টার দিকে শহরের চৌরঙ্গির মোড়ে মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু রোববার তাদের একজন সহকর্মীর ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা। একই সঙ্গে অবিলম্বে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিও জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল্লাহ হেল মাফি বলেন, হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখতে শুধু ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

অন্যদিকে, নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে রোববার এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নীলফামারীতে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে অ্যাম্বুলেন্স চালক আটক, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

সময় : ০১:৩৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এক চিকিৎসককে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগে নাঈম ইসলাম (২৫) নামে এক অ্যাম্বুলেন্স চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন পালন করেছেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে শহরের চৌরঙ্গির মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল থেকে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন শুরু করেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে আলট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্ট নিতে আসেন বেসরকারি মালিকানাধীন অ্যাম্বুলেন্সের চালক নাঈম ইসলাম। রিপোর্ট দিতে দেরি হওয়ায় তিনি চিৎকার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় দায়িত্বে থাকা রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রথীন্দ্রনাথ মণ্ডল তাকে বাধা দিলে নাঈম ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি ওই চিকিৎসককে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চিকিৎসকের চিৎকার শুনে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে নাঈমকে আটক করেন। পরে তাকে নীলফামারী সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

চিকিৎসকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। পরে বেলা ১১টার দিকে শহরের চৌরঙ্গির মোড়ে মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছেন। কিন্তু রোববার তাদের একজন সহকর্মীর ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা। একই সঙ্গে অবিলম্বে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিও জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল্লাহ হেল মাফি বলেন, হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখতে শুধু ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

অন্যদিকে, নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে রোববার এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।