১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গভীর রাতে বাথরুমে ৭ ফুটের কুমির, কুকুরের ডাকে জেগে উঠে আতঙ্কে পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গুজরাটের একটি বাড়ির বাথরুমে ঢুকে পড়া কুমিরকে উদ্ধার করছে বন বিভাগের দল।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের গুজরাটের আনন্দ জেলায় গভীর রাতে এক পরিবারের বাথরুমে প্রায় সাত ফুট লম্বা একটি কুমির ঢুকে পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কুকুরের একটানা ডাক শুনে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা কুমিরটি দেখতে পান।

বাড়ির মালিক বলভাই চৌহান জানান, গভীর রাতে বাড়ির বাইরে কুকুরের অস্বাভাবিক ডাক শুনে তিনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। পরে বিষয়টি দেখতে গিয়ে বাথরুমের দরজা খুলতেই বিশাল আকৃতির কুমিরটির মুখোমুখি হন। এতে পুরো পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

বন বিভাগের উদ্ধার অভিযান

ঘটনার পরপরই বন বিভাগে খবর দেওয়া হলে বন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় একটি বন্য প্রাণী উদ্ধার ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পর কুমিরটিকে নিরাপদে আটক করা হয়। পরে সেটিকে কাছাকাছি একটি জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়।

ভাইরাল উদ্ধার অভিযানের ভিডিও

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উদ্ধার অভিযানের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট ও ঘিঞ্জি বাথরুম থেকে দড়ির ফাঁস এবং লম্বা লাঠির সাহায্যে কুমিরটিকে সতর্কতার সঙ্গে বের করে আনছেন উদ্ধারকর্মীরা। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল প্রাণীটিকে কোনো ক্ষতি না করে নিরাপদে প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া।

কেন লোকালয়ে চলে আসে কুমির?

বন কর্মকর্তাদের মতে, বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টির কারণে নদী, খাল ও পুকুরের পানির স্তর বেড়ে গেলে কুমিরগুলো প্রায়ই তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল ছেড়ে আশপাশের লোকালয়ে চলে আসে। খাবারের সন্ধান এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনেও তারা মানুষের বসতিপূর্ণ এলাকায় ঢুকে পড়তে পারে।

কর্মকর্তারা জানান, পার্শ্ববর্তী মালাতাজ গ্রামের একটি পুকুরে ১০০টিরও বেশি কুমির রয়েছে। তাই বর্ষা ও বন্যার সময় ওই এলাকা এবং আশপাশের বসতিতে কুমির চলে আসার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

গভীর রাতে বাথরুমে ৭ ফুটের কুমির, কুকুরের ডাকে জেগে উঠে আতঙ্কে পরিবার

সময় : ১২:৪৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের গুজরাটের আনন্দ জেলায় গভীর রাতে এক পরিবারের বাথরুমে প্রায় সাত ফুট লম্বা একটি কুমির ঢুকে পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কুকুরের একটানা ডাক শুনে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা কুমিরটি দেখতে পান।

বাড়ির মালিক বলভাই চৌহান জানান, গভীর রাতে বাড়ির বাইরে কুকুরের অস্বাভাবিক ডাক শুনে তিনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। পরে বিষয়টি দেখতে গিয়ে বাথরুমের দরজা খুলতেই বিশাল আকৃতির কুমিরটির মুখোমুখি হন। এতে পুরো পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

বন বিভাগের উদ্ধার অভিযান

ঘটনার পরপরই বন বিভাগে খবর দেওয়া হলে বন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় একটি বন্য প্রাণী উদ্ধার ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পর কুমিরটিকে নিরাপদে আটক করা হয়। পরে সেটিকে কাছাকাছি একটি জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়।

ভাইরাল উদ্ধার অভিযানের ভিডিও

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উদ্ধার অভিযানের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট ও ঘিঞ্জি বাথরুম থেকে দড়ির ফাঁস এবং লম্বা লাঠির সাহায্যে কুমিরটিকে সতর্কতার সঙ্গে বের করে আনছেন উদ্ধারকর্মীরা। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল প্রাণীটিকে কোনো ক্ষতি না করে নিরাপদে প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া।

কেন লোকালয়ে চলে আসে কুমির?

বন কর্মকর্তাদের মতে, বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টির কারণে নদী, খাল ও পুকুরের পানির স্তর বেড়ে গেলে কুমিরগুলো প্রায়ই তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল ছেড়ে আশপাশের লোকালয়ে চলে আসে। খাবারের সন্ধান এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনেও তারা মানুষের বসতিপূর্ণ এলাকায় ঢুকে পড়তে পারে।

কর্মকর্তারা জানান, পার্শ্ববর্তী মালাতাজ গ্রামের একটি পুকুরে ১০০টিরও বেশি কুমির রয়েছে। তাই বর্ষা ও বন্যার সময় ওই এলাকা এবং আশপাশের বসতিতে কুমির চলে আসার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।