ঝিনাইদহে নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে গলা কেটে হত্যা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে ঘাস কাটার কাঁচি দিয়ে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে এখলাচুর রহমানের বিরুদ্ধে। হত্যার পর মায়ের পাশের ঘরে গিয়ে শুয়ে ছিলেন তিনি।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা এখলাচুরকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সখের বানু ওই এলাকার জেকের আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে জেকের আলী মারা যাওয়ার পর মানুষের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহ করতেন সখের বানু। পাঁচ সন্তানের মধ্যে এখলাচুর ছিলেন সবার বড়। একসময় ইটভাটার ট্রাক্টর চালালেও পরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন তিনি। অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণে কাজকর্ম ছেড়ে দেন এখলাচুর।
বৃহস্পতিবার রাতে মায়ের কাছে নেশার জন্য টাকা চান এখলাচুর। তবে সখের বানু টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে রাতের কোনো একসময় ঘাস কাটার কাঁচি দিয়ে সখের বানুকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর মায়ের পাশের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়েন তিনি।
শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা এখলাচুরকে আটক করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে মাদকাসক্ত এখলাচুর তার বাবার বুকে লাথি মেরেছিলেন। এরপর তিন দিন অসুস্থ থাকার পর তার বাবা মারা যান। তার দাবি, এখলাচুর এলাকায় অতিমাত্রায় মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং মায়ের কাছে নেশার টাকা চেয়ে না পেয়ে তাকে হত্যা করেছেন।
মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে এখলাচুরকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।






















