১১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খোলপেটুয়া নদীর জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবনের শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক

খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ার ও স্রোতের চাপে প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে।

খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ার ও স্রোতের চাপে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার প্রতাপনগর এলাকায় বেড়িবাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এতে আশপাশের গ্রামাঞ্চলে নদীর পানি ঢুকে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভাঙনের পর স্থানীয় বাসিন্দারা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার কাজে নেমেছেন। বস্তা ও মাটি ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন তারা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, জোয়ারের পানির চাপ আরও বাড়লে বাঁধের ভাঙন বিস্তৃত হতে পারে।

প্রতাপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী দাউদ আলী বলেন, কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশ থেকে প্রায় ১৫০ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে বাঁধ রক্ষায় কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নদীতে জোয়ারের সময় পানির চাপ বাড়লে বাঁধে ফাটল ও ধস দেখা দেয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদীর লবণাক্ত পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে। এতে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মৎস্যঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহমান তাজকিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘আমরা সেখানে যাচ্ছি। দ্রুত কাজ করে দিচ্ছি, কিছুক্ষণের মধ্যে। জোয়ারের প্রেসারের কারণে ফাটল ও ধস নামছে ওই জায়গায়। আমরা দ্রুত যেভাবে পারি বস্তা ডাম্পিং করে, পেছনে জিও টিউব দিয়ে অলটারনেটিভ বাঁধ তৈরি করে দিচ্ছি।’

এদিকে প্রতাপনগর ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ার ও স্রোতের চাপে বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এসব স্থানে দ্রুত ভাঙন রোধ ও টেকসই সংস্কার করা না হলে বিস্তীর্ণ জনপদ, ফসলের মাঠ ও মৎস্যঘের প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনস্থল রক্ষার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলো স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

খোলপেটুয়া নদীর জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবনের শঙ্কা

সময় : ১১:৪৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ার ও স্রোতের চাপে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার প্রতাপনগর এলাকায় বেড়িবাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এতে আশপাশের গ্রামাঞ্চলে নদীর পানি ঢুকে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভাঙনের পর স্থানীয় বাসিন্দারা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার কাজে নেমেছেন। বস্তা ও মাটি ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন তারা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, জোয়ারের পানির চাপ আরও বাড়লে বাঁধের ভাঙন বিস্তৃত হতে পারে।

প্রতাপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী দাউদ আলী বলেন, কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশ থেকে প্রায় ১৫০ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে বাঁধ রক্ষায় কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নদীতে জোয়ারের সময় পানির চাপ বাড়লে বাঁধে ফাটল ও ধস দেখা দেয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদীর লবণাক্ত পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়তে পারে। এতে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মৎস্যঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহমান তাজকিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘আমরা সেখানে যাচ্ছি। দ্রুত কাজ করে দিচ্ছি, কিছুক্ষণের মধ্যে। জোয়ারের প্রেসারের কারণে ফাটল ও ধস নামছে ওই জায়গায়। আমরা দ্রুত যেভাবে পারি বস্তা ডাম্পিং করে, পেছনে জিও টিউব দিয়ে অলটারনেটিভ বাঁধ তৈরি করে দিচ্ছি।’

এদিকে প্রতাপনগর ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ার ও স্রোতের চাপে বেড়িবাঁধের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এসব স্থানে দ্রুত ভাঙন রোধ ও টেকসই সংস্কার করা না হলে বিস্তীর্ণ জনপদ, ফসলের মাঠ ও মৎস্যঘের প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনস্থল রক্ষার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলো স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হোক।