০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা এখনো আছে: সোনি

নিউজ ডেস্ক

স্পিকারের আসনের পেছনে কালেমা তাইয়্যেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক: তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে বলে মনে করেন সোনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনেক বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। এসব বিষয় সমাধানে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সোনির মতে, অমীমাংসিত বিষয়গুলোর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্য হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায় বলে জানান সোনি। তাঁর মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে।

তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সে ধরনের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

নতুন সরকার নিয়ে আশাবাদ

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি।

এ কারণে তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সোনি। তাঁর মতে, দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হলে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা এখনো আছে: সোনি

সময় : ০৫:০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে বলে মনে করেন সোনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনেক বিষয় এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। এসব বিষয় সমাধানে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সোনির মতে, অমীমাংসিত বিষয়গুলোর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্য হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায় বলে জানান সোনি। তাঁর মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে।

তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সে ধরনের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

নতুন সরকার নিয়ে আশাবাদ

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি।

এ কারণে তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন সোনি। তাঁর মতে, দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হলে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।