০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে বিক্ষোভে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভের সময় নারী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশের ভ্যানে তোলার পর নারী পুলিশ সদস্যরা তাদের মারধর করেন। এমনকি কয়েকজনের গলা চেপে ধরা এবং যৌনাঙ্গে লাথি মারার অভিযোগও করেছেন তারা। এ সময় তাদের মুঠোফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নওরিন নামের এক নারী বিক্ষোভকারী এসব অভিযোগ করেন। তিনি ওয়ার্কার্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সদস্য।

আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ

নওরিনের ভাষ্য, রোববার মধ্য দিল্লিতে তারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে একটি ভ্যানে তোলে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জনই নারী ছিলেন বলে দাবি তার।

নওরিন অভিযোগ করেন, ভ্যানে তোলার পর নারী পুলিশ সদস্যরা একে একে তাদের মারধর করতে শুরু করেন। দিশা স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সদস্য শারন্যাকে ভ্যানের ভেতরে ফেলে এক নারী পুলিশ সদস্য তার গলা চেপে ধরেন। আরেক পুলিশ সদস্য কনুই দিয়ে তাকে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ করেন নওরিন।

পরে এক পুলিশ সদস্য শারন্যাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান বলে জানান তিনি।

বুক ও যৌনাঙ্গে আঘাতের অভিযোগ

নওরিনের আরও দাবি, ভ্যানে থাকা অন্য নারী বিক্ষোভকারীদের বুক ও যৌনাঙ্গে আঘাত করা হয়। তাদের কয়েকজনের মুঠোফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়েছে—এমন তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে শনিবার ও রোববার দিল্লিতে বিক্ষোভ করেন ককরোচ জনতা পার্টিসহ বিভিন্ন ছাত্র ও প্রতিবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

তাদের যন্তর মন্তরে যাওয়ার কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিক্ষোভকারীরা ওই এলাকার দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং অনেককে আটক করে।

বিক্ষোভে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং স্বাধীন তদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

দিল্লিতে বিক্ষোভে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ

সময় : ০৪:১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশের ভ্যানে তোলার পর নারী পুলিশ সদস্যরা তাদের মারধর করেন। এমনকি কয়েকজনের গলা চেপে ধরা এবং যৌনাঙ্গে লাথি মারার অভিযোগও করেছেন তারা। এ সময় তাদের মুঠোফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নওরিন নামের এক নারী বিক্ষোভকারী এসব অভিযোগ করেন। তিনি ওয়ার্কার্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সদস্য।

আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ

নওরিনের ভাষ্য, রোববার মধ্য দিল্লিতে তারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে একটি ভ্যানে তোলে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জনই নারী ছিলেন বলে দাবি তার।

নওরিন অভিযোগ করেন, ভ্যানে তোলার পর নারী পুলিশ সদস্যরা একে একে তাদের মারধর করতে শুরু করেন। দিশা স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সদস্য শারন্যাকে ভ্যানের ভেতরে ফেলে এক নারী পুলিশ সদস্য তার গলা চেপে ধরেন। আরেক পুলিশ সদস্য কনুই দিয়ে তাকে আঘাত করেন বলেও অভিযোগ করেন নওরিন।

পরে এক পুলিশ সদস্য শারন্যাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান বলে জানান তিনি।

বুক ও যৌনাঙ্গে আঘাতের অভিযোগ

নওরিনের আরও দাবি, ভ্যানে থাকা অন্য নারী বিক্ষোভকারীদের বুক ও যৌনাঙ্গে আঘাত করা হয়। তাদের কয়েকজনের মুঠোফোনও কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়েছে—এমন তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে শনিবার ও রোববার দিল্লিতে বিক্ষোভ করেন ককরোচ জনতা পার্টিসহ বিভিন্ন ছাত্র ও প্রতিবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

তাদের যন্তর মন্তরে যাওয়ার কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিক্ষোভকারীরা ওই এলাকার দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং অনেককে আটক করে।

বিক্ষোভে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং স্বাধীন তদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।