০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব
আর্যদের বংশধররা যখন সদাচারভ্রষ্ট হয়ে পড়েছিল, পুরাণ ইত্যাদি গ্রন্থের মর্মার্থ গ্রহণে অসমর্থ হয়ে সনাতন ধর্মকে বহু সম্প্রদায় ও শাখায় বিভক্ত
মানবমনের জয়মাল্য গাঁথা হয় দোলযাত্রায়
প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো যে, বসন্তকালে রঙের উৎসবকে বাঙালিদের হোলি বলা উচিত নয়; বরং বলা উচিত দোল উৎসব। ভারতীয় উপমহাদেশে
শুভ শক্তির বিজয়োৎসব
পুরাকালে অযোধ্যার সূর্যবংশীয় রাজা অজের পুত্র ছিলেন রাজা দশরথ। তাঁর তিন রানি হলেন কৌশল্যা, কৈকেয়ী ও সুমিত্রা। কথিত আছে পূর্বজন্মে
অক্ষয় তৃতীয়া: অনন্তের বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার
‘অক্ষয়’—শব্দটির মধ্যেই নিহিত রয়েছে এক গভীর দার্শনিক তাৎপর্য; যার ক্ষয় নেই, যা অনন্ত, যা চিরস্থায়ী। এই ধারণাকেই কেন্দ্র করে হিন্দু
স্বামী বিবেকানন্দ: বিশ্বমানবতার চিরন্তন প্রেরণা
উনিশ শতকের দীর্ঘ সময়কালে ভারতবর্ষে কয়েকজন মনীষী সমাজচেতনার নবজাগরণ ঘটিয়েছিলেন। রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী














