১১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শোক, ক্ষোভ আর প্রতিশোধের অঙ্গীকারে উত্তাল তেহরান হাতে পতাকা লেখা ‘আমরা প্রতিশোধ নেবোই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নেমেছে শোকাহত মানুষের ঢল। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বিদায়ী অনুষ্ঠানে বহু মানুষের হাতে দেখা যায় ‘আমরা প্রতিশোধ নেবোই’ (We Will Avenge) লেখা পতাকা, যা শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ারও প্রতীক হয়ে ওঠে।

শেষ বিদায়ের এই আয়োজনজুড়ে ছিল গভীর আবেগ, শোক এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মিশ্র আবহ। উপস্থিত জনতার একটি বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়। একই সঙ্গে, খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি জানিয়ে তারা দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজ জানায়, জানাজার পুরো পরিবেশে শোকের পাশাপাশি প্রতিশোধের অঙ্গীকার ছিল স্পষ্ট। অংশগ্রহণকারীরা বারবার হত্যাকাণ্ডের জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং প্রতিশোধ নেওয়ার শপথ উচ্চারণ করেন।

গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত এই রাষ্ট্রীয় মর্যাদার বিদায়ী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। দেশ-বিদেশ থেকে আসা শোকাহত মানুষ, কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় শোক, সংহতি এবং রাজনৈতিক আবেগে ভরা এক বিশাল জনসমুদ্রে।

শোক, ক্ষোভ আর প্রতিশোধের অঙ্গীকারে উত্তাল তেহরান হাতে পতাকা লেখা ‘আমরা প্রতিশোধ নেবোই’

সময় : ১১:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নেমেছে শোকাহত মানুষের ঢল। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বিদায়ী অনুষ্ঠানে বহু মানুষের হাতে দেখা যায় ‘আমরা প্রতিশোধ নেবোই’ (We Will Avenge) লেখা পতাকা, যা শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ারও প্রতীক হয়ে ওঠে।

শেষ বিদায়ের এই আয়োজনজুড়ে ছিল গভীর আবেগ, শোক এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মিশ্র আবহ। উপস্থিত জনতার একটি বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়। একই সঙ্গে, খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি জানিয়ে তারা দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজ জানায়, জানাজার পুরো পরিবেশে শোকের পাশাপাশি প্রতিশোধের অঙ্গীকার ছিল স্পষ্ট। অংশগ্রহণকারীরা বারবার হত্যাকাণ্ডের জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং প্রতিশোধ নেওয়ার শপথ উচ্চারণ করেন।

গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত এই রাষ্ট্রীয় মর্যাদার বিদায়ী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। দেশ-বিদেশ থেকে আসা শোকাহত মানুষ, কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় শোক, সংহতি এবং রাজনৈতিক আবেগে ভরা এক বিশাল জনসমুদ্রে।