০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়া ও অসদাচরণের অভিযোগে শরীয়তপুরের প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর

নিউজ ডেস্ক

পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের এক প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ এ আদেশ দেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে জারি করা সর্বশেষ অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগগুলো অসদাচরণ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ কার্যকর করা হয়।

বিভাগীয় নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। জবাবে তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন।

তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দেন বলে বিভাগীয় আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

তবে তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।’

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, তাদের কাছে বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি এসেছে। ইতোমধ্যে চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।

পরকীয়া ও অসদাচরণের অভিযোগে শরীয়তপুরের প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর

সময় : ১২:০৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ এ আদেশ দেন।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে জারি করা সর্বশেষ অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগগুলো অসদাচরণ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ কার্যকর করা হয়।

বিভাগীয় নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। জবাবে তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন।

তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দেন বলে বিভাগীয় আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

তবে তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।’

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, তাদের কাছে বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি এসেছে। ইতোমধ্যে চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।