০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়িতে নিখোঁজের ১৪ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিখোঁজের প্রায় ১৪ ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর বসতঘর থেকে তিন বছরের শিশু হালিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৪ ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর বসতঘর থেকে হালিমা আক্তার নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যা মামলায় একই পরিবারের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন একই এলাকার বাসিন্দা আবদুল আউয়াল, তার স্ত্রী আসমা বেগম ও ছেলে রবিউল। এর আগে শনিবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।

প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ জানায়, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের নিচিন্তা এলাকায় প্রতিবেশী আবদুল আউয়ালের বসতঘরের আলনার নিচ থেকে শিশু হালিমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে শনিবার সকাল ৮টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে প্রতিবেশীর ঘরের আলনার নিচ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত হালিমা ওই এলাকার নাছির উদ্দিন ও রাশেদা আক্তার দম্পতির মেয়ে।

শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ মায়ের

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের আলনার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছেন তিনি।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি।

শ্বাসরোধে হত্যার সন্দেহ পুলিশের

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে ঢাকা পোস্টকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে শিশুটির বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

ওসি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ফটিকছড়িতে নিখোঁজের ১৪ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

সময় : ০১:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৪ ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর বসতঘর থেকে হালিমা আক্তার নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যা মামলায় একই পরিবারের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন একই এলাকার বাসিন্দা আবদুল আউয়াল, তার স্ত্রী আসমা বেগম ও ছেলে রবিউল। এর আগে শনিবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।

প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ জানায়, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের নিচিন্তা এলাকায় প্রতিবেশী আবদুল আউয়ালের বসতঘরের আলনার নিচ থেকে শিশু হালিমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে শনিবার সকাল ৮টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে প্রতিবেশীর ঘরের আলনার নিচ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত হালিমা ওই এলাকার নাছির উদ্দিন ও রাশেদা আক্তার দম্পতির মেয়ে।

শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ মায়ের

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের আলনার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছেন তিনি।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনো চলমান। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি।

শ্বাসরোধে হত্যার সন্দেহ পুলিশের

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে ঢাকা পোস্টকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে শিশুটির বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

ওসি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।