০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার পাচ্ছেন ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’

নিউজ ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্র ও স্মৃতি পরিষদে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারকে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী কবি আল মাহমুদ স্মরণোৎসব-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তার হাতে এ পদক তুলে দেওয়া হবে।

রোববার (৫ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্র ও স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পরিষদের সভাপতি মো. ইব্রাহিম সাদাত ও সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসাইন জিহাদ। এ সময় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র কবির মামা হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারকে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ প্রদানের ঘোষণা দেন। এ সময় সংগঠনের আরেক উপদেষ্টা এইচ এম বাশার উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান কবি আল মাহমুদের সাহিত্য, জীবন ও দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, তার সাহিত্যচর্চাকে আরও বেগবান করা এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা রাখাই এ স্মরণোৎসবের মূল উদ্দেশ্য। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘সোনালী কাবিন পদক’ প্রদান করা হবে।

আগামী ৯ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে সাহিত্য, গবেষণা ও সংস্কৃতিভিত্তিক নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

৯ জুলাই সকালে কবির কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে স্মরণোৎসবের সূচনা হবে। বিকালে স্থানীয় নিয়াজ মুহাম্মদ হাইস্কুল মাঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, সাহিত্য আড্ডা, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

১০ জুলাই সকালে কবির রচিত স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং স্কুল-কলেজ পর্যায়ের প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হবে। বিকালে ‘গদ্য সাহিত্যে আল মাহমুদ’ এবং রাতে ‘কবিতায় আল মাহমুদ’ শীর্ষক দুটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেবেন।

১১ জুলাই বিকালে কবির রচিত কবিতা পাঠ ও স্কুল পর্যায়ের কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ শেষে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল। তিনি বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারের হাতে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ তুলে দেবেন। পরে রাত ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিষদের সভাপতি মো. ইব্রাহিম সাদাত ও সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসাইন জিহাদ বলেন, কবি আল মাহমুদের সাহিত্যচর্চা, চিন্তা ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ স্মরণোৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী ও সাহিত্যপ্রেমীরা এ আয়োজনে অংশ নেবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে স্মরণোৎসব সফল করতে সকলের সহযোগিতা ও উপস্থিতি কামনা করেন তারা।

যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার পাচ্ছেন ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’

সময় : ০৯:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারকে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী কবি আল মাহমুদ স্মরণোৎসব-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তার হাতে এ পদক তুলে দেওয়া হবে।

রোববার (৫ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্র ও স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পরিষদের সভাপতি মো. ইব্রাহিম সাদাত ও সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসাইন জিহাদ। এ সময় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র কবির মামা হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারকে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ প্রদানের ঘোষণা দেন। এ সময় সংগঠনের আরেক উপদেষ্টা এইচ এম বাশার উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান কবি আল মাহমুদের সাহিত্য, জীবন ও দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, তার সাহিত্যচর্চাকে আরও বেগবান করা এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা রাখাই এ স্মরণোৎসবের মূল উদ্দেশ্য। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘সোনালী কাবিন পদক’ প্রদান করা হবে।

আগামী ৯ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে সাহিত্য, গবেষণা ও সংস্কৃতিভিত্তিক নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

৯ জুলাই সকালে কবির কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে স্মরণোৎসবের সূচনা হবে। বিকালে স্থানীয় নিয়াজ মুহাম্মদ হাইস্কুল মাঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, সাহিত্য আড্ডা, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

১০ জুলাই সকালে কবির রচিত স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং স্কুল-কলেজ পর্যায়ের প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হবে। বিকালে ‘গদ্য সাহিত্যে আল মাহমুদ’ এবং রাতে ‘কবিতায় আল মাহমুদ’ শীর্ষক দুটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেবেন।

১১ জুলাই বিকালে কবির রচিত কবিতা পাঠ ও স্কুল পর্যায়ের কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ শেষে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল। তিনি বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারের হাতে ‘সোনালী কাবিন পদক-২০২৬’ তুলে দেবেন। পরে রাত ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিষদের সভাপতি মো. ইব্রাহিম সাদাত ও সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসাইন জিহাদ বলেন, কবি আল মাহমুদের সাহিত্যচর্চা, চিন্তা ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ স্মরণোৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী ও সাহিত্যপ্রেমীরা এ আয়োজনে অংশ নেবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে স্মরণোৎসব সফল করতে সকলের সহযোগিতা ও উপস্থিতি কামনা করেন তারা।