১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিড়ি-সিগারেট বিক্রির আয় হালাল নাকি হারাম? যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক

বিড়ি-সিগারেট বিক্রির উপার্জন নিয়ে ইসলামি ব্যাখ্যা দিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

নিষিদ্ধ পণ্যের বেচাকেনা নিয়েও ইসলামি ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করে অর্জিত আয় হালাল নাকি হারাম—এমন প্রশ্নের জবাবে বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, ইসলামে যে বস্তু খাওয়া, পান করা বা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, সেই বস্তুর বেচাকেনাও বৈধ নয়।

সম্প্রতি এক অনুসারীর প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কোনো দোকানদার নিজে ধূমপান না করলেও কিংবা ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললেও শুধু এ কারণে বিড়ি-সিগারেট বিক্রির আয় হালাল হয়ে যায় না

সিগারেট বিক্রির আয় নিয়ে কী বললেন?

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, একজন দোকানদার নিজে নামাজি, হাজি বা ধর্মীয় অনুশাসন পালনকারী হলেও যদি তিনি বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করেন, তাহলে সেই বিক্রির উপার্জন বৈধ হবে না।

তার মতে, ইসলামে কোনো পণ্য বৈধ কি না, তার ওপর ব্যবসার বৈধতা নির্ভর করে।

সব দোকানের আয় কি হারাম হয়ে যায়?

তবে তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, একটি দোকানে যদি হালাল ও হারাম—দুই ধরনের পণ্য থাকে, তাহলে পুরো দোকানের সব আয় একসঙ্গে হারাম হয়ে যায় না।

যে পণ্যের বেচাকেনা ইসলামসম্মত নয়, শুধু সেই পণ্য থেকে অর্জিত লাভই হারাম হিসেবে বিবেচিত হবে। অন্যদিকে চাল, ডালসহ বৈধ পণ্য বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত আয় হালাল হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যবসায় সততার গুরুত্ব

শায়খ আহমাদুল্লাহ ব্যবসায় সততার ওপরও গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, কোনো পণ্য বৈধ হলেও প্রতারণা বা ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করলে সেই উপার্জনও বৈধ থাকে না।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ভালো মানের পণ্যের সঙ্গে নিম্নমানের পণ্য মিশিয়ে বিক্রি করা প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত এবং এ ধরনের আয় ইসলামি দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

উপার্জনের বৈধতা নির্ধারণে দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ

শায়খ আহমাদুল্লাহর বক্তব্য অনুযায়ী, ইসলামে শুধু পণ্যের ধরন নয়, বরং ব্যবসার পদ্ধতি, সততা ও নৈতিকতাও উপার্জনের বৈধতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিড়ি-সিগারেট বিক্রির আয় হালাল নাকি হারাম? যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

সময় : ০৩:০২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

নিষিদ্ধ পণ্যের বেচাকেনা নিয়েও ইসলামি ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করে অর্জিত আয় হালাল নাকি হারাম—এমন প্রশ্নের জবাবে বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, ইসলামে যে বস্তু খাওয়া, পান করা বা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, সেই বস্তুর বেচাকেনাও বৈধ নয়।

সম্প্রতি এক অনুসারীর প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কোনো দোকানদার নিজে ধূমপান না করলেও কিংবা ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললেও শুধু এ কারণে বিড়ি-সিগারেট বিক্রির আয় হালাল হয়ে যায় না

সিগারেট বিক্রির আয় নিয়ে কী বললেন?

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, একজন দোকানদার নিজে নামাজি, হাজি বা ধর্মীয় অনুশাসন পালনকারী হলেও যদি তিনি বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করেন, তাহলে সেই বিক্রির উপার্জন বৈধ হবে না।

তার মতে, ইসলামে কোনো পণ্য বৈধ কি না, তার ওপর ব্যবসার বৈধতা নির্ভর করে।

সব দোকানের আয় কি হারাম হয়ে যায়?

তবে তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, একটি দোকানে যদি হালাল ও হারাম—দুই ধরনের পণ্য থাকে, তাহলে পুরো দোকানের সব আয় একসঙ্গে হারাম হয়ে যায় না।

যে পণ্যের বেচাকেনা ইসলামসম্মত নয়, শুধু সেই পণ্য থেকে অর্জিত লাভই হারাম হিসেবে বিবেচিত হবে। অন্যদিকে চাল, ডালসহ বৈধ পণ্য বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত আয় হালাল হিসেবে গণ্য হবে।

ব্যবসায় সততার গুরুত্ব

শায়খ আহমাদুল্লাহ ব্যবসায় সততার ওপরও গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, কোনো পণ্য বৈধ হলেও প্রতারণা বা ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করলে সেই উপার্জনও বৈধ থাকে না।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ভালো মানের পণ্যের সঙ্গে নিম্নমানের পণ্য মিশিয়ে বিক্রি করা প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত এবং এ ধরনের আয় ইসলামি দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

উপার্জনের বৈধতা নির্ধারণে দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ

শায়খ আহমাদুল্লাহর বক্তব্য অনুযায়ী, ইসলামে শুধু পণ্যের ধরন নয়, বরং ব্যবসার পদ্ধতি, সততা ও নৈতিকতাও উপার্জনের বৈধতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।