১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর বাঘায় গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক

রাজশাহীর বাঘায় গরু চোর সন্দেহে দুজনকে আটক করে গণপিটুনি দেওয়া হলে শিমুল হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়।

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় গরু চোর সন্দেহে দুজনকে আটক করে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। এতে শিমুল হোসেন (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আহত অপরজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোতকাদিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জোতকাদিরপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে শিমুল হোসেন (২৮) ও একই গ্রামের নবীন শাহের ছেলে শমজান আলী (৪০) রাত আড়াইটার দিকে জোতকাদিরপুর স্কুলের পাশে ইয়ার আলীর বাড়িতে গরু চুরি করতে যান। এ সময় বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পেয়ে গেলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের ঘিরে আটক করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন।

সকালে তাদের দফায় দফায় মারধর করা হয়। পরে আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিমুল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, শমজান আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ লিটন বলেন, তারা মাদকাসক্ত। এলাকায় তারা কোনো কাজ করে না। সোমবার রাতে গরু চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর গণপিটুনিতে শিমুল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি (তদন্ত) সুপ্রভাত মন্ডল বলেন, শিমুল হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। গরুর মালিক ইয়ার আলী বাদী হয়ে চোরের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

রাজশাহীর বাঘায় গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

সময় : ০১:৫১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় গরু চোর সন্দেহে দুজনকে আটক করে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। এতে শিমুল হোসেন (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আহত অপরজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোতকাদিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জোতকাদিরপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে শিমুল হোসেন (২৮) ও একই গ্রামের নবীন শাহের ছেলে শমজান আলী (৪০) রাত আড়াইটার দিকে জোতকাদিরপুর স্কুলের পাশে ইয়ার আলীর বাড়িতে গরু চুরি করতে যান। এ সময় বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পেয়ে গেলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের ঘিরে আটক করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন।

সকালে তাদের দফায় দফায় মারধর করা হয়। পরে আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিমুল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, শমজান আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ লিটন বলেন, তারা মাদকাসক্ত। এলাকায় তারা কোনো কাজ করে না। সোমবার রাতে গরু চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর গণপিটুনিতে শিমুল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি (তদন্ত) সুপ্রভাত মন্ডল বলেন, শিমুল হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। গরুর মালিক ইয়ার আলী বাদী হয়ে চোরের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দিয়েছেন।