০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিলীপ আগরওয়ালার ফের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন, শুনানি আজ

নিউজ ডেস্ক

মানিলন্ডারিং মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ফের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিলন্ডারিং মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ফের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ। রোববার (২৫ অক্টোবর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া এ আবেদন করেন। এ বিষয়ে দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর এ মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। তবে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

চার দিনের রিমান্ড শেষে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে করা আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে ডিবি কার্যালয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে যেভাবে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন দিলীপ আগরওয়ালা

২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং একই দিন আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরপর বিভিন্ন হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় তার আইনজীবীরা নিম্ন ও উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেন। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

এরপর গত ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বনানী থেকে মানিলন্ডারিং মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০ অক্টোবর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

যে ঘটনায় হত্যা চেষ্টা মামলা

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেষ দিনে দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিএনএস সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন আ. জব্বার।

পরে ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কিছুটা সুস্থ বোধ করলে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ তিনি বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ৩১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

আদালত পুনরায় রিমান্ড মঞ্জুর করবেন কি না, তা শুনানির পর জানা যাবে।

দিলীপ আগরওয়ালার ফের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন, শুনানি আজ

সময় : ০১:৩০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিলন্ডারিং মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ফের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ। রোববার (২৫ অক্টোবর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া এ আবেদন করেন। এ বিষয়ে দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর এ মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। তবে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

চার দিনের রিমান্ড শেষে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে করা আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে ডিবি কার্যালয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে যেভাবে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন দিলীপ আগরওয়ালা

২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং একই দিন আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরপর বিভিন্ন হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় তার আইনজীবীরা নিম্ন ও উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেন। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

এরপর গত ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বনানী থেকে মানিলন্ডারিং মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০ অক্টোবর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

যে ঘটনায় হত্যা চেষ্টা মামলা

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেষ দিনে দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিএনএস সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন আ. জব্বার।

পরে ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কিছুটা সুস্থ বোধ করলে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ তিনি বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ৩১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

আদালত পুনরায় রিমান্ড মঞ্জুর করবেন কি না, তা শুনানির পর জানা যাবে।