০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতায় ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ সরানোর দাবি বিজেপি বিধায়কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মসজিদ সরানোর দাবি বিজেপি বিধায়কের

কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা ১৩৬ বছরের পুরোনো বাঁখড়া মসজিদ সরানোর দাবি তুলেছেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার।

সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। সেখানে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা, রানওয়ে সম্প্রসারণ এবং মসজিদের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সৌরভ শিকদারের দাবি, মসজিদটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জমিতে অবস্থিত। তাই এটি সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও এয়ারপোর্ট অথরিটির।

তিনি বলেন, মসজিদে নামাজ পড়তে আসা ব্যক্তিরা আধার কার্ড দেখিয়ে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করেন। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সিআইএসএফ সদস্য মোতায়েন করতে হচ্ছে।

বিধায়কের আরও দাবি, মসজিদটির কারণে বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ আটকে আছে। ফলে বড় উড়োজাহাজ চলাচল, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে অন্য স্থাপনা সরানো হলে মসজিদও স্থানান্তর করা যেতে পারে। প্রয়োজনে বিমানবন্দর এলাকার বাইরে জমি দিয়ে নতুন মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

অন্যদিকে, মসজিদ কমিটির সদস্য সুকুর আলি বলেন, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়। বাঁখড়া এলাকার মুসল্লিরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। নামাজ বন্ধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

 

কলকাতায় ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ সরানোর দাবি বিজেপি বিধায়কের

সময় : ০৫:২৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা ১৩৬ বছরের পুরোনো বাঁখড়া মসজিদ সরানোর দাবি তুলেছেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার।

সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। সেখানে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা, রানওয়ে সম্প্রসারণ এবং মসজিদের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সৌরভ শিকদারের দাবি, মসজিদটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জমিতে অবস্থিত। তাই এটি সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও এয়ারপোর্ট অথরিটির।

তিনি বলেন, মসজিদে নামাজ পড়তে আসা ব্যক্তিরা আধার কার্ড দেখিয়ে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করেন। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সিআইএসএফ সদস্য মোতায়েন করতে হচ্ছে।

বিধায়কের আরও দাবি, মসজিদটির কারণে বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ আটকে আছে। ফলে বড় উড়োজাহাজ চলাচল, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে অন্য স্থাপনা সরানো হলে মসজিদও স্থানান্তর করা যেতে পারে। প্রয়োজনে বিমানবন্দর এলাকার বাইরে জমি দিয়ে নতুন মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

অন্যদিকে, মসজিদ কমিটির সদস্য সুকুর আলি বলেন, প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়। বাঁখড়া এলাকার মুসল্লিরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। নামাজ বন্ধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।