০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরার কারণ ও প্রতিকার: নিয়মিত খান এই ৪টি শুকনো ফল

লাইফস্টাইল ডেস্ক

পায়ের পাতা ঠান্ডা হয়ে থাকা, অবশ ভাব, কিংবা অনবরত ঝিঁঝিঁ ধরা ও সূচ ফোটার মতো অনুভূতি হওয়া—আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এমন কিছু চেনা সমস্যাকে আমরা অলসতা বা ক্লান্তি বলেই ধরে নিই। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি-১২ এর তীব্র অভাব দেখা দিলে স্নায়ুতন্ত্রের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে, যার ফলেই পায়ে এই অস্বস্তিকর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

ভিটামিন বি–১২ শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে। এই রক্তকণিকা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া হাঁটার সময় ভারসাম্য হারানো, পায়ের পাতায় জ্বালাপোড়া, ঝিঁঝিঁ ধরা বা অবশ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘাটতি পূরণে শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর করতেই হবে এমন নয়। আমিষ খাবারের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় কিছু শুকনো ফল, রাখলেও উপকার মিলতে পারে।

আমন্ড

সকালে ভেজানো আমন্ড খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি ভেজানো আমন্ড খেলে ভিটামিন বি–১২-এর পাশাপাশি আঁশ প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বিও পাওয়া যায়।

আখরোট

আখরোটে (ওয়ালনাট) ভিটামিন বি–১২-এর পাশাপাশি ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ টুকরা আখরোট খেলে শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে, সহায়তা করতে পারে।

খেজুর

খেজুরে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ। নিয়মিত খেজুর খাওয়ার অভ্যাস শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পূরণে সহায়ক হতে পারে।

কিশমিশ

ভেজানো কিশমিশেও রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। প্রতিদিন সকালে ১০ থেকে ১২টি ভেজানো কিশমিশ খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পায়ে বারবার ঝিঁঝিঁ ধরা অবশ ভাব বা ভারসাম্য হারানোর মতো সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে শুধু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করাই যথেষ্ট নয়। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো উচিত। এতে সমস্যার প্রকৃত কারণ শনাক্ত করে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হবে।

 

 

 

পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরার কারণ ও প্রতিকার: নিয়মিত খান এই ৪টি শুকনো ফল

সময় : ১২:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

পায়ের পাতা ঠান্ডা হয়ে থাকা, অবশ ভাব, কিংবা অনবরত ঝিঁঝিঁ ধরা ও সূচ ফোটার মতো অনুভূতি হওয়া—আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এমন কিছু চেনা সমস্যাকে আমরা অলসতা বা ক্লান্তি বলেই ধরে নিই। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি-১২ এর তীব্র অভাব দেখা দিলে স্নায়ুতন্ত্রের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে, যার ফলেই পায়ে এই অস্বস্তিকর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

ভিটামিন বি–১২ শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে। এই রক্তকণিকা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া হাঁটার সময় ভারসাম্য হারানো, পায়ের পাতায় জ্বালাপোড়া, ঝিঁঝিঁ ধরা বা অবশ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘাটতি পূরণে শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর করতেই হবে এমন নয়। আমিষ খাবারের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় কিছু শুকনো ফল, রাখলেও উপকার মিলতে পারে।

আমন্ড

সকালে ভেজানো আমন্ড খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি ভেজানো আমন্ড খেলে ভিটামিন বি–১২-এর পাশাপাশি আঁশ প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বিও পাওয়া যায়।

আখরোট

আখরোটে (ওয়ালনাট) ভিটামিন বি–১২-এর পাশাপাশি ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ টুকরা আখরোট খেলে শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে, সহায়তা করতে পারে।

খেজুর

খেজুরে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ। নিয়মিত খেজুর খাওয়ার অভ্যাস শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পূরণে সহায়ক হতে পারে।

কিশমিশ

ভেজানো কিশমিশেও রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। প্রতিদিন সকালে ১০ থেকে ১২টি ভেজানো কিশমিশ খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পায়ে বারবার ঝিঁঝিঁ ধরা অবশ ভাব বা ভারসাম্য হারানোর মতো সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে শুধু খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করাই যথেষ্ট নয়। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো উচিত। এতে সমস্যার প্রকৃত কারণ শনাক্ত করে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হবে।