নেত্রকোনায় খালের পানিতে ডুবে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে খালের পানিতে ডুবে মো. আলী (১১) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের পানুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় জেলেদের জালে তার লাশ উঠে আসে।
নিহত আলী পানুর গ্রামের আশিকুলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আলীর মা-বাবা দুজনই জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় থাকেন। এ কারণে সে দাদা আবু তাহেরের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে থাকত।
বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশের সাপমরা খালে মুখ ধুতে যায় আলী। একপর্যায়ে সে পানিতে ডুবে যায়। পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি।
পরে খালে মাছ ধরার সময় স্থানীয় জেলেদের জালে আলীর লাশ উঠে আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর মিয়া বলেন, আলীর মৃগীরোগ ছিল। খালে নামার পর ওই রোগের কারণে খিঁচুনি উঠে সে পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আলী মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিল। মুখ ধুতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।






















