শিক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে মোদিকে বাঁচিয়েছে বিজেপি: লোকসভায় অখিলেশ যাদব
প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর লোকসভায় বিজেপি সরকারকে সমালোচনা করেন অখিলেশ যাদব।
শিক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে মোদিকে বাঁচিয়েছে বিজেপি: লোকসভায় অখিলেশ যাদব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এ ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রায় দুই মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন দেশটির হাজারো তরুণ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভারতের পার্লামেন্টে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে সমাজবাদী পার্টির নেতা এবং উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে দিয়ে বিজেপি সরকার মূলত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাজনৈতিক চাপ থেকে রক্ষা করেছে।
অখিলেশ যাদব বলেন, “এই সরকারের স্বস্তি পাওয়া উচিত। কারণ তারা শিক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বাঁচিয়েছে। যদি তিনি পদত্যাগ না করতেন, তাহলে হয়তো প্রধানমন্ত্রীকেই পদত্যাগ করতে হতো।”
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনরত তরুণদের উত্থাপিত দাবিগুলো সরকার গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা করেন। তার ভাষায়, “সরকার শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করেছে। তবে সরকারকে নতি স্বীকার করাতে কাউকে না কাউকে প্রয়োজন হয়।”
অভিষেক ব্যানার্জির সমালোচনা
লোকসভার আলোচনায় অংশ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জিও মোদি সরকারের সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, গত দুই মাস ধরে লাখ লাখ তরুণ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন করেছেন এবং সরকারের কাছে জবাব চেয়েছেন। কিন্তু তাদের দাবির জবাব না দিয়ে সরকার লাঠিচার্জ ও ব্যারিকেডের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করেছে।
অভিষেক ব্যানার্জির অভিযোগ, “এই সরকার যেকোনো আন্দোলনকেই নিজেদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে এবং সাধারণ মানুষের দাবিকে গুরুত্ব দিতে চায় না।”
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলন কয়েক সপ্তাহ ধরে চলার পর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।





















