০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টয়লেটের ট্যাংক থেকে স্কুলশিক্ষিকার লাশ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

নিউজ ডেস্ক

পাবনার আটঘরিয়ায় টয়লেটের ট্যাংক থেকে স্কুলশিক্ষিকা গীতা রানীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক | পাবনা |

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামে টয়লেটের ট্যাংক থেকে গীতা রানী (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (তারিখ যুক্ত করুন) সকালে নিজ বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংক থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত গীতা রানী বারইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ইউনিয়নের চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। তিনি নন্দ দাসের স্ত্রী। তাঁর স্বামী ঢাকায় থাকায় তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

সকালে খোঁজাখুঁজির পর মিলল মরদেহ

স্থানীয় ও প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বুধবার রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে গীতা রানী ঘুমাতে যান। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ সময় তাঁর ঘরে সিঁধ কাটা দেখতে পান প্রতিবেশীরা।

পরে তাঁরা বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সকাল প্রায় ১১টার দিকে পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকে তাঁর মরদেহ দেখতে পান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে চোর ঘরে প্রবেশ করেছিল। গীতা রানী বিষয়টি টের পেয়ে গেলে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। পরে মরদেহ টয়লেটের ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

টয়লেটের ট্যাংক থেকে স্কুলশিক্ষিকার লাশ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

সময় : ০৫:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | পাবনা |

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামে টয়লেটের ট্যাংক থেকে গীতা রানী (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (তারিখ যুক্ত করুন) সকালে নিজ বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংক থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত গীতা রানী বারইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ইউনিয়নের চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। তিনি নন্দ দাসের স্ত্রী। তাঁর স্বামী ঢাকায় থাকায় তিনি বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

সকালে খোঁজাখুঁজির পর মিলল মরদেহ

স্থানীয় ও প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বুধবার রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে গীতা রানী ঘুমাতে যান। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ সময় তাঁর ঘরে সিঁধ কাটা দেখতে পান প্রতিবেশীরা।

পরে তাঁরা বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সকাল প্রায় ১১টার দিকে পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকে তাঁর মরদেহ দেখতে পান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে চোর ঘরে প্রবেশ করেছিল। গীতা রানী বিষয়টি টের পেয়ে গেলে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। পরে মরদেহ টয়লেটের ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।