১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাতের ফোনকলের পর নিখোঁজ, সকালে মৎস্য ঘেরে মিলল মাইক্রোবাসচালকের লাশ

নিউজ ডেস্ক

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার মৎস্য ঘের থেকে উদ্ধার করা হয় নিখোঁজ মাইক্রোবাসচালক সুমনের লাশ।

সাতক্ষীরায় সুমনের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

সাতক্ষীরায় রাতের একটি ফোনকলের পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া এক মাইক্রোবাসচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার একটি মৎস্য ঘের থেকে সুমন (৩৫) নামে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুমন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন মাইক্রোবাসচালক ছিলেন।

ঘেরের পানিতে ভাসছিল লাশ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে সদর উপজেলার মাগুরা-কৈখালী বিল এলাকার কেসমত আলীর মৎস্য ঘেরে লাশটি দেখতে পান ঘের মালিক। টংঘরের বাতি বন্ধ করতে গিয়ে তিনি পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিদ্যুতের কাটা তার, লোহা কাটার দুটি ব্লেড, একটি সিমবিহীন বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি সিগারেটের প্যাকেটসহ কয়েকটি আলামত উদ্ধার করা হয়।

রাতের ফোনকলের পর বের হন সুমন

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাত প্রায় ১১টার দিকে একটি ফোনকল পেয়ে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ মৎস্য ঘেরে ফেলে রাখা হয়েছে।

তদন্তের পর জানা যাবে মৃত্যুর কারণ

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. মাসুদুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

রাতের ফোনকলের পর নিখোঁজ, সকালে মৎস্য ঘেরে মিলল মাইক্রোবাসচালকের লাশ

সময় : ০৭:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরায় সুমনের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

সাতক্ষীরায় রাতের একটি ফোনকলের পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া এক মাইক্রোবাসচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার একটি মৎস্য ঘের থেকে সুমন (৩৫) নামে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুমন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি পেশায় একজন মাইক্রোবাসচালক ছিলেন।

ঘেরের পানিতে ভাসছিল লাশ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে সদর উপজেলার মাগুরা-কৈখালী বিল এলাকার কেসমত আলীর মৎস্য ঘেরে লাশটি দেখতে পান ঘের মালিক। টংঘরের বাতি বন্ধ করতে গিয়ে তিনি পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিদ্যুতের কাটা তার, লোহা কাটার দুটি ব্লেড, একটি সিমবিহীন বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি সিগারেটের প্যাকেটসহ কয়েকটি আলামত উদ্ধার করা হয়।

রাতের ফোনকলের পর বের হন সুমন

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাত প্রায় ১১টার দিকে একটি ফোনকল পেয়ে সুমন বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ মৎস্য ঘেরে ফেলে রাখা হয়েছে।

তদন্তের পর জানা যাবে মৃত্যুর কারণ

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. মাসুদুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম চলছে।