০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সখীপুরে অসুস্থ ব্যক্তিকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, চিকিৎসার উদ্যোগ স্থানীয়দের

নিউজ ডেস্ক

সখীপুরে অসুস্থ জামাল উদ্দিনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অসুস্থ জামাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে রাতের অন্ধকারে গ্রামের রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা চাঁদা তুলে তাঁর চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনও তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

উপজেলার কালমেঘা গ্রামের ঝুট ব্যবসায়ী এনাম হাসান জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে অর্থ সংগ্রহে কিছুটা সমস্যা হলেও বিকেলের মধ্যে জামাল উদ্দিনকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজন হলে পরে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম বলেন, বিষয়টি পারিবারিক হলেও একজন অসুস্থ মানুষকে মানবিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে জামাল উদ্দিনের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতা করা হবে।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ২২ বছর আগে জামাল উদ্দিন সখীপুরের পৈতৃক ভিটা ও সম্পত্তি বিক্রি করে স্ত্রী রিনা আক্তারকে নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস শুরু করেন। পরে তিনি সৌদি আরবে যান এবং প্রায় ১২ বছর সেখানে ছিলেন। বিদেশে উপার্জিত অর্থের বড় অংশ তিনি স্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছেন।

প্রায় তিন মাস আগে অসুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর থেকে জামাল স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। তবে তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে স্ত্রী ও সন্তানেরা আগ্রহ দেখাননি বলে অভিযোগ স্বজনদের। পরে গত শনিবার রাতে তাঁকে পৈতৃক ভিটাসংলগ্ন সড়কে রেখে যাওয়া হয়।

জামালের স্বজনদের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী রিনা আক্তার তাঁকে সেখানে রেখে গেছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে রিনা বলেন, প্রায় আড়াই মাস আগে তিনি জামালকে তালাক দিয়েছেন। বর্তমানে জামাল তাঁর স্বামী নন। তাই তাঁকে গাড়িতে করে সখীপুরে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে জামাল উদ্দিন তাঁর ভাতিজি ইসমত আরার বাড়িতে রয়েছেন। তিনিই রাস্তা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।

সখীপুরে অসুস্থ ব্যক্তিকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, চিকিৎসার উদ্যোগ স্থানীয়দের

সময় : ০২:০০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অসুস্থ জামাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে রাতের অন্ধকারে গ্রামের রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা চাঁদা তুলে তাঁর চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনও তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

উপজেলার কালমেঘা গ্রামের ঝুট ব্যবসায়ী এনাম হাসান জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে অর্থ সংগ্রহে কিছুটা সমস্যা হলেও বিকেলের মধ্যে জামাল উদ্দিনকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজন হলে পরে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম বলেন, বিষয়টি পারিবারিক হলেও একজন অসুস্থ মানুষকে মানবিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে জামাল উদ্দিনের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতা করা হবে।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ২২ বছর আগে জামাল উদ্দিন সখীপুরের পৈতৃক ভিটা ও সম্পত্তি বিক্রি করে স্ত্রী রিনা আক্তারকে নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস শুরু করেন। পরে তিনি সৌদি আরবে যান এবং প্রায় ১২ বছর সেখানে ছিলেন। বিদেশে উপার্জিত অর্থের বড় অংশ তিনি স্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছেন।

প্রায় তিন মাস আগে অসুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর থেকে জামাল স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। তবে তাঁর চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে স্ত্রী ও সন্তানেরা আগ্রহ দেখাননি বলে অভিযোগ স্বজনদের। পরে গত শনিবার রাতে তাঁকে পৈতৃক ভিটাসংলগ্ন সড়কে রেখে যাওয়া হয়।

জামালের স্বজনদের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী রিনা আক্তার তাঁকে সেখানে রেখে গেছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে রিনা বলেন, প্রায় আড়াই মাস আগে তিনি জামালকে তালাক দিয়েছেন। বর্তমানে জামাল তাঁর স্বামী নন। তাই তাঁকে গাড়িতে করে সখীপুরে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে জামাল উদ্দিন তাঁর ভাতিজি ইসমত আরার বাড়িতে রয়েছেন। তিনিই রাস্তা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।