০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নোয়াখালীর কবিরহাটে চায়ের দোকানে বসে থাকা মো. ফারুককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে নোয়াখালীতে ০১ ব্যক্তিকে হত্যা, পুলিশ হেফাজতে ২

নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালীর কবিরহাট থানা

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ছুরিকাঘাতে মো. ফারুক (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের পাশের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফারুক উত্তর সুন্দলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদকসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অভিযুক্ত মো. আরশাদ প্রকাশের সঙ্গে ফারুকের আগে থেকে বিরোধ চলছিল। ফারুক আরশাদকে মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

এরই জেরে বুধবার রাতে চায়ের দোকানে বসে থাকা ফারুকের ওপর হামলা চালান আরশাদ। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পেছন থেকে এসে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে প্রথমে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত মো. আরশাদ প্রকাশকে আটক করেন। পরে তার সহযোগী মো. সাজ্জাদ হোসেনকেও আটক করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে কবিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসির উদ্দিন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালীর কবিরহাটে চায়ের দোকানে বসে থাকা মো. ফারুককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে নোয়াখালীতে ০১ ব্যক্তিকে হত্যা, পুলিশ হেফাজতে ২

সময় : ০১:২২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ছুরিকাঘাতে মো. ফারুক (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের পাশের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফারুক উত্তর সুন্দলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদকসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অভিযুক্ত মো. আরশাদ প্রকাশের সঙ্গে ফারুকের আগে থেকে বিরোধ চলছিল। ফারুক আরশাদকে মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

এরই জেরে বুধবার রাতে চায়ের দোকানে বসে থাকা ফারুকের ওপর হামলা চালান আরশাদ। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পেছন থেকে এসে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে প্রথমে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত মো. আরশাদ প্রকাশকে আটক করেন। পরে তার সহযোগী মো. সাজ্জাদ হোসেনকেও আটক করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে কবিরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসির উদ্দিন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।