০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে আট মামলার আসামি জিতুকে কুপিয়ে হত্যা, একজন আটক

নিউজ ডেস্ক

যশোরের বারান্দীপাড়ায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় শরিফুল ইসলাম জিতুকে।

যশোরে আট মামলার আসামি জিতুকে কুপিয়ে হত্যা, একজন আটক

যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকায় আট মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম জিতু (৩৫) দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সুমন মিয়া নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়ার ফুলতলা মোড়ে জিতুকে কুপিয়ে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে নড়াইলে পৌঁছালে ভোরে তার মৃত্যু হয়।

নিহত জিতু যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

কীভাবে ঘটল হামলা?

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলার পর স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় জিতুকে উদ্ধার করে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কাজী মাসুম রেজা জানান, প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে মৃত্যুর পর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।

পুলিশের বক্তব্য

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মিরাজুল ইসলাম বলেন, নিহত জিতু একজন চিহ্নিত অপরাধী এবং তার বিরুদ্ধে থানায় আটটি মামলা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

আটক ব্যক্তির দাবি

পুলিশ জানায়, আটক সুমনের অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার সময় জিতুকে কুপিয়ে জখম করা হয়। তবে এ অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

যশোরে আট মামলার আসামি জিতুকে কুপিয়ে হত্যা, একজন আটক

সময় : ০১:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

যশোরে আট মামলার আসামি জিতুকে কুপিয়ে হত্যা, একজন আটক

যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকায় আট মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম জিতু (৩৫) দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সুমন মিয়া নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়ার ফুলতলা মোড়ে জিতুকে কুপিয়ে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে নড়াইলে পৌঁছালে ভোরে তার মৃত্যু হয়।

নিহত জিতু যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

কীভাবে ঘটল হামলা?

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলার পর স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় জিতুকে উদ্ধার করে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কাজী মাসুম রেজা জানান, প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে মৃত্যুর পর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।

পুলিশের বক্তব্য

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মিরাজুল ইসলাম বলেন, নিহত জিতু একজন চিহ্নিত অপরাধী এবং তার বিরুদ্ধে থানায় আটটি মামলা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

আটক ব্যক্তির দাবি

পুলিশ জানায়, আটক সুমনের অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার সময় জিতুকে কুপিয়ে জখম করা হয়। তবে এ অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।