০৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার, শোকের ছায়া পরিবারে

নিউজ ডেস্ক

পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক |

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর বাবা কাওসার আলী ও তাঁর ছেলে জিয়ারুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (তারিখ যুক্ত করুন) ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ পৃথক স্থান থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাঁদের দাফন করা হয়।

নিহতদের বাড়ি রাজশাহী নগরের কাটাখালী থানার শ্যামপুর বালুঘাট এলাকায়, পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায়।

পৃথক স্থানে ভেসে ওঠে বাবা-ছেলের মরদেহ

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহীর চারঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে কাওসার আলীর মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। পরে নৌ-পুলিশ সেটি উদ্ধার করে।

অন্যদিকে দুপুর প্রায় ২টার দিকে নৌকাডুবির ঘটনাস্থল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার ভাটিতে, শ্যামপুর বালুঘাট এলাকায় ছেলে জিয়ারুল ইসলামের মরদেহ ভেসে ওঠে। ঘটনাস্থলটি তাঁদের বাড়ির কাছাকাছি।

কীভাবে ঘটেছিল নৌকাডুবির ঘটনা

গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগরের বড়কুঠি এলাকায় কাওসার আলীর শ্যালোইঞ্জিনচালিত নৌকাটি পদ্মা নদীতে ডুবে যায়। চর থেকে ঝাউগাছ কেটে বাড়ি ফেরার সময় নৌকাটিতে তাঁর স্ত্রী জাহেরা বেগমসহ মোট আটজন যাত্রী ছিলেন।

নৌকাডুবির পর অন্য একটি নৌকার সহায়তায় জাহেরা বেগমসহ ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কাওসার আলী ও তাঁর ছেলে জিয়ারুল ইসলাম নিখোঁজ ছিলেন।

ঝাউগাছ ও খড় বিক্রি করেই চলত সংসার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাওসার আলী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পদ্মার চর থেকে ঝাউগাছ ও খড় সংগ্রহ করে বিক্রি করতেন। সেই কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথেই দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।

পুলিশের বক্তব্য

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন জানান, পৃথক সময়ে বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কাদেরী বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়নি।

রাজশাহীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার, শোকের ছায়া পরিবারে

সময় : ০৬:৩৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক |

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর বাবা কাওসার আলী ও তাঁর ছেলে জিয়ারুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (তারিখ যুক্ত করুন) ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ পৃথক স্থান থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাঁদের দাফন করা হয়।

নিহতদের বাড়ি রাজশাহী নগরের কাটাখালী থানার শ্যামপুর বালুঘাট এলাকায়, পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায়।

পৃথক স্থানে ভেসে ওঠে বাবা-ছেলের মরদেহ

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহীর চারঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে কাওসার আলীর মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। পরে নৌ-পুলিশ সেটি উদ্ধার করে।

অন্যদিকে দুপুর প্রায় ২টার দিকে নৌকাডুবির ঘটনাস্থল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার ভাটিতে, শ্যামপুর বালুঘাট এলাকায় ছেলে জিয়ারুল ইসলামের মরদেহ ভেসে ওঠে। ঘটনাস্থলটি তাঁদের বাড়ির কাছাকাছি।

কীভাবে ঘটেছিল নৌকাডুবির ঘটনা

গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগরের বড়কুঠি এলাকায় কাওসার আলীর শ্যালোইঞ্জিনচালিত নৌকাটি পদ্মা নদীতে ডুবে যায়। চর থেকে ঝাউগাছ কেটে বাড়ি ফেরার সময় নৌকাটিতে তাঁর স্ত্রী জাহেরা বেগমসহ মোট আটজন যাত্রী ছিলেন।

নৌকাডুবির পর অন্য একটি নৌকার সহায়তায় জাহেরা বেগমসহ ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কাওসার আলী ও তাঁর ছেলে জিয়ারুল ইসলাম নিখোঁজ ছিলেন।

ঝাউগাছ ও খড় বিক্রি করেই চলত সংসার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাওসার আলী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পদ্মার চর থেকে ঝাউগাছ ও খড় সংগ্রহ করে বিক্রি করতেন। সেই কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথেই দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।

পুলিশের বক্তব্য

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন জানান, পৃথক সময়ে বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কাদেরী বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়নি।