০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র গরমে ভয়াবহ লোডশেডিং, ভোগান্তিতে দেশবাসী

নিউজ ডেস্ক

তীব্র গরমের মধ্যে গ্যাস ও কয়লা সংকটে বেড়েছে দেশজুড়ে লোডশেডিং।

নিজস্ব প্রতিবেদক: তীব্র গরমের মধ্যে দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ। কোথাও কোথাও ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, গ্যাস ও কয়লার সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। বিদ্যুৎ খাতে দৈনিক ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। এতে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়া। পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা থাকলেও সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে। কয়লা পরিবহনে সমস্যার কারণে উৎপাদন কমেছে বলে জানিয়েছে আদানি।

এ ছাড়া কয়লা সংকট ও যান্ত্রিক সমস্যার কারণে বড়পুকুরিয়া, মাতারবাড়ী, পায়রা, রামপালসহ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রেও উৎপাদন কমেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে পিডিবি জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সমস্যাও ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এসব সংকট দ্রুত সমাধান না হলে গরমের মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।

এদিকে, গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার পর গ্যাস সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৫১ কোটি ঘনফুট কমে যায়। মেরামতের পর ৫ আগস্ট রাতে আংশিক সরবরাহ শুরু হলেও স্বাভাবিক সরবরাহ পুরোপুরি ফিরতে সময় লাগছে।

তীব্র গরমে ভয়াবহ লোডশেডিং, ভোগান্তিতে দেশবাসী

সময় : ০৪:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: তীব্র গরমের মধ্যে দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ। কোথাও কোথাও ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, গ্যাস ও কয়লার সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। বিদ্যুৎ খাতে দৈনিক ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। এতে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়া। পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা থাকলেও সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে। কয়লা পরিবহনে সমস্যার কারণে উৎপাদন কমেছে বলে জানিয়েছে আদানি।

এ ছাড়া কয়লা সংকট ও যান্ত্রিক সমস্যার কারণে বড়পুকুরিয়া, মাতারবাড়ী, পায়রা, রামপালসহ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রেও উৎপাদন কমেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে পিডিবি জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সমস্যাও ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এসব সংকট দ্রুত সমাধান না হলে গরমের মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।

এদিকে, গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার পর গ্যাস সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৫১ কোটি ঘনফুট কমে যায়। মেরামতের পর ৫ আগস্ট রাতে আংশিক সরবরাহ শুরু হলেও স্বাভাবিক সরবরাহ পুরোপুরি ফিরতে সময় লাগছে।