আটকের একদিন পর মুক্ত ধ্রুব রাঠী, পুলিশের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আটকের একদিন পর মুক্তি পেয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী। শনিবার (১০ অক্টোবর) তাকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং রোববার (১১ অক্টোবর) মুক্তি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ধ্রুবের অভিযোগ, সাদা পোশাকে প্রায় ২০ জন পুলিশ সদস্য তার বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে নিয়ে যান। এ সময় তিনি কোনো কিছু করার সুযোগ পাননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ধ্রুব রাঠী জানান, সকাল ৭টার দিকে সাদা পোশাকে পুলিশের প্রায় ২০ জন সদস্য তার বাড়িতে প্রবেশ করেন। তারা তার শোবার ঘরে ঢোকার সময় তিনি জেগে ওঠেন এবং পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন।
ধ্রুব লেখেন, “সাদা পোশাকে পুলিশের প্রায় ২০ জন সদস্য সকাল ৭টার দিকে আমার বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা যখন আমার বেডরুমে প্রবেশ করে, তখন আমি জেগে যাই এবং দেখছিলাম কী হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হলো, একসঙ্গে এতগুলো মানুষ কীভাবে একজনের বেডরুমে প্রবেশ করতে পারে। আমি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগেই, এই মানুষগুলো আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।”
পুলিশি আটক নয়, অপহরণ বলছেন ধ্রুব রাঠী
পুলিশের তাকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে আটক না বলে অপহরণ হিসেবে বর্ণনা করতে চান বলে জানিয়েছেন ধ্রুব রাঠী। তার দাবি, নিয়মিত গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে পুলিশ পরিচয় প্রকাশ করবে, গ্রেপ্তারের কারণ জানাবে এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে।
তিনি বলেন, “আটক হতো যদি আমি বিক্ষোভস্থলে যেতাম। বিষয়টি এমন হতো আমি এখানে বিক্ষোভ করছিলাম, পুলিশ আমাকে তখন আটক করেছে, এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।”
গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে ধ্রুব আরও বলেন, “গ্রেপ্তার হলো সেই বিষয় যেখানে পুলিশ আসবে, তাদের পোশাক থাকবে, তাদের নাম প্রদর্শন করবে, আমাকে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখিয়ে বলবে, দেখুন এই ধারায় আপনাকে গ্রেপ্তার করা হবে, এগুলো অভিযোগ, আমাদের সঙ্গে পুলিশ স্টেশনে আসুন। তখন আমি খুশি মনে যেতাম। কিন্তু এর কিছুই হয়নি।”
বিক্ষোভে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন ধ্রুব
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানী দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে জার্মানি থেকে ভারতে আসেন ধ্রুব রাঠী। তবে দিল্লিতে যাওয়ার আগেই তাকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান নেতা অভিজিৎ দ্বীপ, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকেও আটক করা হয়। আদালতের নির্দেশে রোববার তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি























