০৩:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়েটে উপাচার্যকে ভেতরে রেখেই ভবনে তালা, বিদ্যুৎ-পানি সংযোগ বিচ্ছিন্নের উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপাচার্য ভবন না ছাড়ায় ফটকে তালা দেন চুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপাচার্য ভবন ত্যাগ না করায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ভেতরে রেখেই ভবনের ফটকে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর উপাচার্য ভবনকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা করে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। একই সঙ্গে ভবনের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্যকে ভবন ত্যাগের আলটিমেটাম দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বাইরে থেকে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা।

শিক্ষার্থীদের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর উপাচার্য ভবনের ফটকে তালা দেওয়া হয়। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম নিয়োগ পাওয়ার পর গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে যোগদানপত্র পাঠিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে এত দিন তিনি সরাসরি ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি।

এদিকে, ১১ ও ১২ অক্টোবরের জন্য যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক মো. আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সকাল থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চুয়েট ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

চুয়েটে উপাচার্যকে ভেতরে রেখেই ভবনে তালা, বিদ্যুৎ-পানি সংযোগ বিচ্ছিন্নের উদ্যোগ

সময় : ০২:০৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপাচার্য ভবন ত্যাগ না করায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ভেতরে রেখেই ভবনের ফটকে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর উপাচার্য ভবনকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা করে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। একই সঙ্গে ভবনের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে উপাচার্যকে ভবন ত্যাগের আলটিমেটাম দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বাইরে থেকে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা।

শিক্ষার্থীদের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর উপাচার্য ভবনের ফটকে তালা দেওয়া হয়। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম নিয়োগ পাওয়ার পর গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে যোগদানপত্র পাঠিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে এত দিন তিনি সরাসরি ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি।

এদিকে, ১১ ও ১২ অক্টোবরের জন্য যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক মো. আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ জানান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সকাল থেকেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চুয়েট ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।