০৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে, তীব্র যানজট

নিউজ ডেস্ক

টানা বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে পল্টন, মালিবাগ, মৌচাক, কাকরাইল, নিউমার্কেট, মতিঝিলসহ ঢাকার বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ নগরবাসী। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ভোর থেকেই মাঠে নেমেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম।

মুগদা, খিলগাঁও, সবুজবাগ, গোড়ান, মানিকনগর, তালতলা, মতিঝিল, আরামবাগ, গুলিস্তান, পল্টন কালভার্ট রোড, মালিবাগ, মৌচাক ও কাকরাইলের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়ক পানিতে তলিয়ে আছে। কোথাও কোথাও পানির উচ্চতা এতটাই বেশি যে রিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চাকা প্রায় ডুবে যাচ্ছে। ফুটপাত দিয়েও স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

জলাবদ্ধতার পানিতে অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। চালকদের সেগুলো ঠেলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

রিকশা ও ভ্যানচালকেরা বাড়তি ভাড়া চাইলেও পানি বেশি থাকায় অনেক রাস্তায় তারাও চলাচল করতে পারছেন না। বৃষ্টির কারণে সকাল থেকে রাজধানীতে যানবাহনের সংখ্যাও তুলনামূলক কম দেখা গেছে। অন্যদিকে দোকানপাটে পানি ঢুকে মালামাল নষ্টের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে জিনিসপত্র উঁচু জায়গায় সরিয়ে রেখেছেন।

রামপুরা এলাকার মহিমা আক্তার নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, বৃষ্টির পর রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় সকাল থেকেই চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। যানবাহনও স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। ফলে অল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দিতেও অনেক বেশি সময় লাগছে।

মৌচাক এলাকার পথচারী লিটন মাহমুদ বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় হেঁটে চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে। যানজটের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

মতিঝিলে সাজেদুর রহমান নামের এক পথচারী বলেন, ভোরে বৃষ্টি হলেও এখনো মতিঝিল এলাকায় জলাবদ্ধতা রয়েছে। কোথাও কোথাও হাঁটুপানিও জমেছে। অফিসপাড়াখ্যাত মতিঝিলে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না।

সিএনজিচালক এরশাদ আলী বলেন, সকাল থেকে ঢাকার প্রায় সব এলাকাতেই জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। মতিঝিলেও বিভিন্ন সড়কে পানি জমে থাকায় সিএনজির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকেই সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। তবে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় তাঁদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সবুজবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মামুনুর রশীদ বলেন, বৃষ্টিপাতের পর সকাল থেকেই মালিবাগ, মৌচাক ও কাকরাইল হয়ে খিলগাঁও এলাকার রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে রয়েছে। এসব রাস্তার এক লেন দিয়েও যান চলাচল করানো যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য সিটি করপোরেশনকে ম্যানহোলের ঢাকনা খুলে দেওয়া বা পরিষ্কার করার অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিএসসিসির মুখপাত্র রাসেল রহমান বলেন, রোববার ভোর ৪টা থেকে মুষলধারে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের ফলে ডিএসসিসির আওতাধীন কিছু নিম্নাঞ্চল ও ঢালু সড়কে সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নগরবাসীর এ ভোগান্তি দ্রুত নিরসনে ভোর থেকেই ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।

তিনি জানান, ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সরেজমিনে উপস্থিত থেকে ড্রেনেজ লাইনের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। দ্রুত পানি অপসারণ করে যান চলাচল ও পথচারীদের যাতায়াত স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চলছে।

সকাল থেকেই পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনে মাঠে রয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ জন্য ডিএসসিসি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নগরবাসীর ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করেছে।

নগরবাসীর সুরক্ষায় জরুরি সতর্কবার্তায় সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাস্তায় যেকোনো উন্মুক্ত বা ছিঁড়ে পড়া বৈদ্যুতিক তার এবং ঝুঁকিপূর্ণ পোল থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জলমগ্ন রাস্তায় ম্যানহোল বা খোলা ড্রেনের গর্ত থাকতে পারে। তাই পথচারী ও চালকদের সাবধানে চলাচলের অনুরোধ করা হয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনে বা জলাবদ্ধতাসংক্রান্ত তথ্যের জন্য ডিএসসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০১৭০৯-৯০০৮৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রোববার সকাল থেকে ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রোববারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ ছাড়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারা দেশের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

টানা বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে, তীব্র যানজট

সময় : ০১:৪১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে পল্টন, মালিবাগ, মৌচাক, কাকরাইল, নিউমার্কেট, মতিঝিলসহ ঢাকার বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ নগরবাসী। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ভোর থেকেই মাঠে নেমেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম।

মুগদা, খিলগাঁও, সবুজবাগ, গোড়ান, মানিকনগর, তালতলা, মতিঝিল, আরামবাগ, গুলিস্তান, পল্টন কালভার্ট রোড, মালিবাগ, মৌচাক ও কাকরাইলের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়ক পানিতে তলিয়ে আছে। কোথাও কোথাও পানির উচ্চতা এতটাই বেশি যে রিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চাকা প্রায় ডুবে যাচ্ছে। ফুটপাত দিয়েও স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

জলাবদ্ধতার পানিতে অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। চালকদের সেগুলো ঠেলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

রিকশা ও ভ্যানচালকেরা বাড়তি ভাড়া চাইলেও পানি বেশি থাকায় অনেক রাস্তায় তারাও চলাচল করতে পারছেন না। বৃষ্টির কারণে সকাল থেকে রাজধানীতে যানবাহনের সংখ্যাও তুলনামূলক কম দেখা গেছে। অন্যদিকে দোকানপাটে পানি ঢুকে মালামাল নষ্টের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে জিনিসপত্র উঁচু জায়গায় সরিয়ে রেখেছেন।

রামপুরা এলাকার মহিমা আক্তার নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, বৃষ্টির পর রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় সকাল থেকেই চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। যানবাহনও স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। ফলে অল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দিতেও অনেক বেশি সময় লাগছে।

মৌচাক এলাকার পথচারী লিটন মাহমুদ বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় হেঁটে চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে। যানজটের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

মতিঝিলে সাজেদুর রহমান নামের এক পথচারী বলেন, ভোরে বৃষ্টি হলেও এখনো মতিঝিল এলাকায় জলাবদ্ধতা রয়েছে। কোথাও কোথাও হাঁটুপানিও জমেছে। অফিসপাড়াখ্যাত মতিঝিলে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না।

সিএনজিচালক এরশাদ আলী বলেন, সকাল থেকে ঢাকার প্রায় সব এলাকাতেই জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। মতিঝিলেও বিভিন্ন সড়কে পানি জমে থাকায় সিএনজির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকেই সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। তবে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় তাঁদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সবুজবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মামুনুর রশীদ বলেন, বৃষ্টিপাতের পর সকাল থেকেই মালিবাগ, মৌচাক ও কাকরাইল হয়ে খিলগাঁও এলাকার রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে রয়েছে। এসব রাস্তার এক লেন দিয়েও যান চলাচল করানো যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য সিটি করপোরেশনকে ম্যানহোলের ঢাকনা খুলে দেওয়া বা পরিষ্কার করার অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিএসসিসির মুখপাত্র রাসেল রহমান বলেন, রোববার ভোর ৪টা থেকে মুষলধারে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের ফলে ডিএসসিসির আওতাধীন কিছু নিম্নাঞ্চল ও ঢালু সড়কে সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নগরবাসীর এ ভোগান্তি দ্রুত নিরসনে ভোর থেকেই ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম মাঠপর্যায়ে কাজ করছে।

তিনি জানান, ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সরেজমিনে উপস্থিত থেকে ড্রেনেজ লাইনের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। দ্রুত পানি অপসারণ করে যান চলাচল ও পথচারীদের যাতায়াত স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চলছে।

সকাল থেকেই পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনে মাঠে রয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ জন্য ডিএসসিসি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নগরবাসীর ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করেছে।

নগরবাসীর সুরক্ষায় জরুরি সতর্কবার্তায় সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাস্তায় যেকোনো উন্মুক্ত বা ছিঁড়ে পড়া বৈদ্যুতিক তার এবং ঝুঁকিপূর্ণ পোল থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জলমগ্ন রাস্তায় ম্যানহোল বা খোলা ড্রেনের গর্ত থাকতে পারে। তাই পথচারী ও চালকদের সাবধানে চলাচলের অনুরোধ করা হয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনে বা জলাবদ্ধতাসংক্রান্ত তথ্যের জন্য ডিএসসিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০১৭০৯-৯০০৮৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। রোববার সকাল থেকে ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রোববারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ ছাড়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের সারা দেশের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।