০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিসিবির জন্য আরও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনছে সরকার

নিউজ ডেস্ক

কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার।

অর্থনীতি প্রতিবেদক: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য আরও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার। স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে এ ডাল কেনা হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মসুর ডাল কেনার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার গ্যারান্টির আওতায় খরচের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হলে চারটি দরপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে চারটি দরপ্রস্তাবকেই কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পরে দরপত্রের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে টেন্ডার ইভ্যালুয়েশন কমিটি (টিইসি) সর্বনিম্ন রেসপনসিভ দরদাতা হিসেবে খুলনার ‘জয়তুন অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড’কে নির্বাচনের সুপারিশ করে।

টিইসির সুপারিশ অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে টিসিবির গুদাম পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ প্রতি কেজি ৭৬ টাকা ৮৯ পয়সা দরে ১০ হাজার টন মসুর ডাল কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে টিসিবির মসুর ডাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টন। এরইমধ্যে ১৭ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনা হয়েছে। নতুন করে আরও ১০ হাজার টন ডাল কেনা হলে টিসিবির মজুত বাড়বে।

সরকারের খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় টিসিবি নিয়মিতভাবে কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করে থাকে। এর অংশ হিসেবেই চলতি অর্থবছরে মসুর ডাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

টিসিবির জন্য আরও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনছে সরকার

সময় : ০২:১৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি প্রতিবেদক: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য আরও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার। স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে এ ডাল কেনা হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মসুর ডাল কেনার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার গ্যারান্টির আওতায় খরচের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হলে চারটি দরপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে চারটি দরপ্রস্তাবকেই কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পরে দরপত্রের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে টেন্ডার ইভ্যালুয়েশন কমিটি (টিইসি) সর্বনিম্ন রেসপনসিভ দরদাতা হিসেবে খুলনার ‘জয়তুন অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড’কে নির্বাচনের সুপারিশ করে।

টিইসির সুপারিশ অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে টিসিবির গুদাম পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ প্রতি কেজি ৭৬ টাকা ৮৯ পয়সা দরে ১০ হাজার টন মসুর ডাল কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৭৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে টিসিবির মসুর ডাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টন। এরইমধ্যে ১৭ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনা হয়েছে। নতুন করে আরও ১০ হাজার টন ডাল কেনা হলে টিসিবির মজুত বাড়বে।

সরকারের খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় টিসিবি নিয়মিতভাবে কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করে থাকে। এর অংশ হিসেবেই চলতি অর্থবছরে মসুর ডাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।