০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন মাসের সন্তান রেখে বিবাহবার্ষিকীর দিন গৃহবধূর আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক

রাজধানীর ডেমরায় তিন মাসের সন্তান রেখে গৃহবধূ আরেফিন বেগমের মৃত্যু হয়েছে।

রাজধানী প্রতিনিধি: রাজধানীর ডেমরায় তিন মাসের সন্তান রেখে বিবাহবার্ষিকীর দিন গৃহবধূ আরেফিন বেগমের (২১) মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে দুর্গাপুর মাঝপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির সঙ্গে ওই বাসায় থাকতেন।

ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তোফায়েল আহমেদ জানান, রোববার রাতে দুর্গাপুরের বাসার সামনে থেকে আরেফিন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোড়া জখম ছিল।

পুলিশ জানায়, ৯ আগস্ট ছিল আরেফিন বেগম ও মো. ইয়াছিনের বিবাহবার্ষিকী। তাঁদের তিন মাসের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। শিশুটির ঠান্ডা লাগায় তাকে আগুনের সেঁক দেওয়ার কথা বলেছিলেন তাঁর স্বামী ইয়াছিন।

এসআই তোফায়েল আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে শিশুটি মায়ের শরীরে পায়খানা করে দেয়। এরপর কাপড় পরিবর্তনের জন্য আরেফিন একটি কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর কক্ষের ভেতর থেকে আগুন দেখতে পান বাইরে থাকা লোকজন।

পরে স্বামী ইয়াছিনসহ উপস্থিত ব্যক্তিরা দরজা খুলে আরেফিনকে উদ্ধার করেন। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ খবর পেয়ে রাতে বাসার সামনে থেকে আরেফিনের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ আরেফিনের স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলেও ধারণা করছে পুলিশ।

তবে এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তিন মাসের সন্তান রেখে বিবাহবার্ষিকীর দিন গৃহবধূর আত্মহত্যা

সময় : ০৫:২১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানী প্রতিনিধি: রাজধানীর ডেমরায় তিন মাসের সন্তান রেখে বিবাহবার্ষিকীর দিন গৃহবধূ আরেফিন বেগমের (২১) মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে দুর্গাপুর মাঝপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির সঙ্গে ওই বাসায় থাকতেন।

ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তোফায়েল আহমেদ জানান, রোববার রাতে দুর্গাপুরের বাসার সামনে থেকে আরেফিন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোড়া জখম ছিল।

পুলিশ জানায়, ৯ আগস্ট ছিল আরেফিন বেগম ও মো. ইয়াছিনের বিবাহবার্ষিকী। তাঁদের তিন মাসের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। শিশুটির ঠান্ডা লাগায় তাকে আগুনের সেঁক দেওয়ার কথা বলেছিলেন তাঁর স্বামী ইয়াছিন।

এসআই তোফায়েল আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে শিশুটি মায়ের শরীরে পায়খানা করে দেয়। এরপর কাপড় পরিবর্তনের জন্য আরেফিন একটি কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর কক্ষের ভেতর থেকে আগুন দেখতে পান বাইরে থাকা লোকজন।

পরে স্বামী ইয়াছিনসহ উপস্থিত ব্যক্তিরা দরজা খুলে আরেফিনকে উদ্ধার করেন। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ খবর পেয়ে রাতে বাসার সামনে থেকে আরেফিনের মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ আরেফিনের স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলেও ধারণা করছে পুলিশ।

তবে এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।