০৫:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের বাড়ানো দাম প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

নিউজ ডেস্ক

বাড়ানো জ্বালানি তেলের মূল্য প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার সময়ে দেশে বাড়ানো জ্বালানি তেলের মূল্য প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বর্তমানে নিম্নমুখী। এর মধ্যে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব বাড়ছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এমন পরিস্থিতিতে নতুন সরকার সংকট মোকাবিলায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাসের মধ্যে দুই দফা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে।

সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে যাতায়াত, যোগাযোগ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন এবং শিল্প উৎপাদনে ভাড়া ও পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

এ অবস্থায় বাড়ানো জ্বালানি তেলের মূল্য জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বিবৃতিতে মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার জনস্বার্থে কোথাও ব্যবসা করবে এবং কোথাও ভর্তুকি দেবে—এটাই বাস্তবতা।

তিনি বলেন, দেশের চরম আর্থিক সংকটের সময়ে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে অর্থনীতি সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর মাধ্যমে সংকটাপন্ন জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি তাদের বিবৃতিতে জ্বালানি তেলের বাড়ানো মূল্য প্রত্যাহার এবং পূর্বের মূল্য বহাল রাখার পাশাপাশি জ্বালানি খাতে সরকারি সহায়তার মাধ্যমে অর্থনীতি সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

জ্বালানি তেলের বাড়ানো দাম প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

সময় : ০৩:০৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার সময়ে দেশে বাড়ানো জ্বালানি তেলের মূল্য প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বর্তমানে নিম্নমুখী। এর মধ্যে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব বাড়ছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এমন পরিস্থিতিতে নতুন সরকার সংকট মোকাবিলায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাসের মধ্যে দুই দফা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে।

সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে যাতায়াত, যোগাযোগ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন এবং শিল্প উৎপাদনে ভাড়া ও পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

এ অবস্থায় বাড়ানো জ্বালানি তেলের মূল্য জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বিবৃতিতে মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার জনস্বার্থে কোথাও ব্যবসা করবে এবং কোথাও ভর্তুকি দেবে—এটাই বাস্তবতা।

তিনি বলেন, দেশের চরম আর্থিক সংকটের সময়ে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে অর্থনীতি সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর মাধ্যমে সংকটাপন্ন জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি তাদের বিবৃতিতে জ্বালানি তেলের বাড়ানো মূল্য প্রত্যাহার এবং পূর্বের মূল্য বহাল রাখার পাশাপাশি জ্বালানি খাতে সরকারি সহায়তার মাধ্যমে অর্থনীতি সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।