০৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯৬টি দেশ বিরোধিতায়, ফিফার ব্যাখ্যা—‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না’

খেলাধুলা ডেস্ক

ফিফার নতুন বাণিজ্যিক পরিকল্পনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

স্পোর্টস ডেস্ক |

বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক কাঠামোয় পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সদস্যদেশগুলোর বিরোধিতার মধ্যেই ফিফা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না’ এবং ফুটবলের মালিকানা বিক্রির কোনো পরিকল্পনাও তাদের নেই।

কেন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে?

ফিফা বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (FFE)’ নামে একটি নতুন সহায়ক প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানে বহিরাগত বা তৃতীয় পক্ষের বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

এই পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন ফুটবল সংস্থা ও সদস্যদেশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

৯৬টি দেশ প্রস্তাবের বিরোধিতায়

ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার ৫৫টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন একযোগে এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। একই সঙ্গে উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনক্যাকাফের ৪১টি সদস্যদেশও প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

ফলে দুই অঞ্চলের মোট ৯৬টি সদস্যদেশ ইতোমধ্যেই ফিফার এই পরিকল্পনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

ফিফার ব্যাখ্যা

ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের কারণে বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে, সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলো যেন সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে মতামত দিতে পারে, সে লক্ষ্যেই আলোচনা ও পরামর্শ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হবে।

ফিফা আরও দাবি করেছে, “কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না। ফিফা এমন চিন্তাভাবনা কখনো প্রশ্রয় দেবে না।”

ভোটাভুটিতে কী হতে পারে?

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের ভোট প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবটি পাস করাতে সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর অন্তত ১০৬টি ভোট দরকার।

তবে ইতোমধ্যেই উয়েফা ও কনক্যাকাফের ৯৬টি সদস্যদেশ বিরোধিতা করায় প্রস্তাবটি অনুমোদন পাওয়া কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ফিফার দাবি

ফিফার ভাষ্য, নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্যদেশগুলোকে ফুটবলের বাণিজ্যিক সুযোগ থেকে আরও বেশি সুবিধা দেওয়া। সংস্থাটির দাবি, এতে ফিফার পরিচালন কাঠামো বা ফুটবলের মৌলিক চেতনার কোনো পরিবর্তন হবে না।

৯৬টি দেশ বিরোধিতায়, ফিফার ব্যাখ্যা—‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না’

সময় : ১১:৫২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক |

বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক কাঠামোয় পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সদস্যদেশগুলোর বিরোধিতার মধ্যেই ফিফা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না’ এবং ফুটবলের মালিকানা বিক্রির কোনো পরিকল্পনাও তাদের নেই।

কেন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে?

ফিফা বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (FFE)’ নামে একটি নতুন সহায়ক প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানে বহিরাগত বা তৃতীয় পক্ষের বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

এই পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন ফুটবল সংস্থা ও সদস্যদেশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

৯৬টি দেশ প্রস্তাবের বিরোধিতায়

ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার ৫৫টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন একযোগে এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। একই সঙ্গে উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনক্যাকাফের ৪১টি সদস্যদেশও প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

ফলে দুই অঞ্চলের মোট ৯৬টি সদস্যদেশ ইতোমধ্যেই ফিফার এই পরিকল্পনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

ফিফার ব্যাখ্যা

ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের কারণে বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে, সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলো যেন সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে মতামত দিতে পারে, সে লক্ষ্যেই আলোচনা ও পরামর্শ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হবে।

ফিফা আরও দাবি করেছে, “কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না। ফিফা এমন চিন্তাভাবনা কখনো প্রশ্রয় দেবে না।”

ভোটাভুটিতে কী হতে পারে?

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের ভোট প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবটি পাস করাতে সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর অন্তত ১০৬টি ভোট দরকার।

তবে ইতোমধ্যেই উয়েফা ও কনক্যাকাফের ৯৬টি সদস্যদেশ বিরোধিতা করায় প্রস্তাবটি অনুমোদন পাওয়া কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ফিফার দাবি

ফিফার ভাষ্য, নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্যদেশগুলোকে ফুটবলের বাণিজ্যিক সুযোগ থেকে আরও বেশি সুবিধা দেওয়া। সংস্থাটির দাবি, এতে ফিফার পরিচালন কাঠামো বা ফুটবলের মৌলিক চেতনার কোনো পরিবর্তন হবে না।