১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাশ্মীরে কাজের প্রলোভনে যুবককে ভারতে পাচার

নিউজ ডেস্ক

কাজের প্রলোভনে ভারতে গিয়ে গুয়াহাটির একটি ক্যাম্পে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সুনামগঞ্জের যুবক মান্নান মিয়া।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: কাশ্মীরে কয়লার কাজ দেওয়ার কথা বলে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে সুনামগঞ্জের মান্নান মিয়া (২৮) নামে এক যুবককে ভারতে পাচারের অভিযোগ উঠেছে দুই দালালের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ভারতের গুয়াহাটির একটি ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

পরিবারের অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দুই দালাল আলামিন ও শাহ আলম কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মান্নানকে তাহিরপুরের বড়ছড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে নিয়ে যান। পরে তাকে কাশ্মীরে নিয়ে সেখানে রেখে দালালরা পালিয়ে যায়।

ভারতে কাজ না পেয়ে দেশে ফেরার চেষ্টা করলে গুয়াহাটিতে পুলিশ ও বিএসএফের হাতে আটক হন মান্নান। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দালালদের মাধ্যমে কাজের জন্য ভারতে যাওয়ার বিষয়টি জানান। বর্তমানে তিনি গুয়াহাটির কচুতলা রিফিউজি ক্যাম্পে অবস্থান করছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

মান্নানের বাবা দিনমজুর আলী আকবর ও মা সখিনা খাতুন অভিযোগ করেন, তাঁদের ছেলেকে ভালো কাজ দেওয়ার কথা বলে ভারতে নিয়ে গিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে। ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই দালালকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এর আগে একই দালালচক্র মান্নানের সঙ্গে বিল্লাল নামে আরও এক যুবককে কাশ্মীরে নিয়ে যায় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। পরে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

অভিযুক্ত আলামিন ও শাহ আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. রতন শেখ জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


কাশ্মীরে কাজের প্রলোভনে যুবককে ভারতে পাচার

সময় : ০৬:৫৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: কাশ্মীরে কয়লার কাজ দেওয়ার কথা বলে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে সুনামগঞ্জের মান্নান মিয়া (২৮) নামে এক যুবককে ভারতে পাচারের অভিযোগ উঠেছে দুই দালালের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ভারতের গুয়াহাটির একটি ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

পরিবারের অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দুই দালাল আলামিন ও শাহ আলম কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মান্নানকে তাহিরপুরের বড়ছড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে নিয়ে যান। পরে তাকে কাশ্মীরে নিয়ে সেখানে রেখে দালালরা পালিয়ে যায়।

ভারতে কাজ না পেয়ে দেশে ফেরার চেষ্টা করলে গুয়াহাটিতে পুলিশ ও বিএসএফের হাতে আটক হন মান্নান। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দালালদের মাধ্যমে কাজের জন্য ভারতে যাওয়ার বিষয়টি জানান। বর্তমানে তিনি গুয়াহাটির কচুতলা রিফিউজি ক্যাম্পে অবস্থান করছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

মান্নানের বাবা দিনমজুর আলী আকবর ও মা সখিনা খাতুন অভিযোগ করেন, তাঁদের ছেলেকে ভালো কাজ দেওয়ার কথা বলে ভারতে নিয়ে গিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে। ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই দালালকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এর আগে একই দালালচক্র মান্নানের সঙ্গে বিল্লাল নামে আরও এক যুবককে কাশ্মীরে নিয়ে যায় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। পরে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

অভিযুক্ত আলামিন ও শাহ আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. রতন শেখ জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।