০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাবের পানি নাকি ওআরএস, কখন কোনটি খাবেন?

স্বাস্থ্য ডেস্ক

পানিশূন্যতার কারণ ও তীব্রতা অনুযায়ী ডাবের পানি বা ওআরএস বেছে নেওয়া জরুরি।

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গরমে শরীর সতেজ রাখতে অনেকেই ডাবের পানি পান করেন। তবে ডায়রিয়া, বমি বা অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে ডাবের পানির চেয়ে ওআরএস বেশি কার্যকর।

ডাবের পানিতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। তাই সুস্থ মানুষের দৈনন্দিন হাইড্রেশনের জন্য এটি ভালো প্রাকৃতিক পানীয় হতে পারে। গরমে বা হালকা ব্যায়ামের পরও ডাবের পানি পান করা যায়।

তবে ডায়রিয়া বা বমির সময় শরীর থেকে পানি ও লবণ দ্রুত বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ওআরএসে থাকা সোডিয়াম ও গ্লুকোজ নির্দিষ্ট অনুপাতে শরীরে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। তাই পানিশূন্যতা হলে ওআরএসকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

ডাবের পানিতে ওআরএসের তুলনায় সোডিয়াম কম থাকায় এটি ডায়রিয়ার সময় সব ধরনের লবণ ও পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারে না। প্যাকেটজাত ওআরএস প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিষ্কার পানিতে মিশিয়ে পান করতে হবে।

কিডনি রোগী বা যাঁদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি, তাঁদের ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। একইভাবে শরীরে পানিশূন্যতা না থাকলে অপ্রয়োজনে বারবার ওআরএস পান করারও প্রয়োজন নেই।

সাধারণভাবে সুস্থ মানুষের জন্য ডাবের পানি ভালো প্রাকৃতিক পানীয়। আর ডায়রিয়া, বমি বা অতিরিক্ত ঘামের কারণে পানি ও লবণের ঘাটতি হলে ওআরএস বেশি উপযোগী। গুরুতর পানিশূন্যতা, বারবার বমি বা শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ডাবের পানি নাকি ওআরএস, কখন কোনটি খাবেন?

সময় : ০৬:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গরমে শরীর সতেজ রাখতে অনেকেই ডাবের পানি পান করেন। তবে ডায়রিয়া, বমি বা অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে ডাবের পানির চেয়ে ওআরএস বেশি কার্যকর।

ডাবের পানিতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। তাই সুস্থ মানুষের দৈনন্দিন হাইড্রেশনের জন্য এটি ভালো প্রাকৃতিক পানীয় হতে পারে। গরমে বা হালকা ব্যায়ামের পরও ডাবের পানি পান করা যায়।

তবে ডায়রিয়া বা বমির সময় শরীর থেকে পানি ও লবণ দ্রুত বেরিয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ওআরএসে থাকা সোডিয়াম ও গ্লুকোজ নির্দিষ্ট অনুপাতে শরীরে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। তাই পানিশূন্যতা হলে ওআরএসকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

ডাবের পানিতে ওআরএসের তুলনায় সোডিয়াম কম থাকায় এটি ডায়রিয়ার সময় সব ধরনের লবণ ও পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারে না। প্যাকেটজাত ওআরএস প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিষ্কার পানিতে মিশিয়ে পান করতে হবে।

কিডনি রোগী বা যাঁদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি, তাঁদের ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। একইভাবে শরীরে পানিশূন্যতা না থাকলে অপ্রয়োজনে বারবার ওআরএস পান করারও প্রয়োজন নেই।

সাধারণভাবে সুস্থ মানুষের জন্য ডাবের পানি ভালো প্রাকৃতিক পানীয়। আর ডায়রিয়া, বমি বা অতিরিক্ত ঘামের কারণে পানি ও লবণের ঘাটতি হলে ওআরএস বেশি উপযোগী। গুরুতর পানিশূন্যতা, বারবার বমি বা শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।